Monday, January 12, 2026

স্বামীজির জন্মদিবস পালিত দেশজুড়ে: যুব সমাজের উন্নয়নে দেশের সেরা বাংলা

Date:

Share post:

বাঙলার মনীষীরাই বাংলার উন্নয়নের অনুপ্রেরণা। রবিবার রাজ্য জুড়ে পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ১৬৩তম জন্মজয়ন্তী। স্বামীজি দেশের স্বার্থে যুব সম্প্রদায়ের উন্নতির বার্তা দিয়েছিলেন সবথেকে বেশি। তাঁর সেই দিশাকেই পাথেয় করে বাংলার যুব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে একের পর এক প্রকল্প নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর বাংলার সেই সব প্রকল্প শুধুমাত্র ভারতে নয়, বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলার নতুন প্রজন্মের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আটটি এমন প্রকল্প চালু করেছেন, যা প্রমাণ করে বাংলাই যুব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সর্বশ্রেষ্ঠ।

ছাত্র ও যুবদের মানোন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রী কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে ঐক্যশ্রী, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ, মেধাশ্রী, সবুজসাথী, যুবশ্রী, অ্যাপ্রেন্টিস স্কিম চালু করেছেন। যুব সমাজকে এগিয়ে যাওয়ার দিশা দেখিয়েছেন। কন্যাশ্রী প্রকল্পে আর্থিক চিন্তা ছাড়াই ছাত্রীরা তাদের শিক্ষা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছে। ঐক্যশ্রী আবার বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। আবার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে (students credit card) স্বল্প সুদে ঋণ মিলছে উচ্চশিক্ষার জন্য। অনেক ছাত্রছাত্রীর শিক্ষার পথ মসৃণ করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মস্তিষ্কপ্রসূত এই প্রকল্প। স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপেও পড়ুয়াদের আর্থিক বোঝা কমিয়ে শিক্ষাগ্রহণে উৎসাহিত করেছে তাদের।

আবার মেধাশ্রী (Medhasree) প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সীমাবদ্ধতার বোঝা ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে শিক্ষার্থীরা। সবুজসাথী (Sabujsathee) প্রকল্পে বিনামূল্যে সাইকেল পাচ্ছে, তার ফলে স্কুলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে পড়ুয়াদের। যুবশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা পাচ্ছে যুবরা। তার ফলে চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে সহায়তা দিচ্ছে তাদের। আর অ্যাপ্রেন্টিস স্কিমে (apprentice scheme) মূল্যবান প্রশিক্ষণের সহায়তা মিলছে। তা শিক্ষানবিশ হিসেবে যুব সমাজকে কর্মে উন্নীত করছে।

কন্যাশ্রী (Kanyashree) ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রসংঘের কাছ থেকে বিশ্ব-সম্মান ছিনিয়ে এনেছে। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প উৎকর্ষ বাংলা ও সবুজসাথী বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলার সরকারের একের পর এক প্রকল্প রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। এটি প্রশাসনিক সাফল্যের নিরিখে সর্বোচ্চ সম্মান। তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য।

spot_img

Related articles

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে কাজের মধ্যেই শ্রদ্ধা: সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনিই বলেছিলেন গীতাপাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো। যার অন্তর্নিহিত অর্থ কর্মই অনেক বেশি কাঙ্খিত, ধর্মের আলোচনার থেকে। আর...

ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প: ট্রুথ হ্যান্ডেলে ঘোষণা করে দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি!

জোর করে দেশে ঢুকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতিকে। তার জন্য নিজের দেশের কংগ্রেসে প্রবল সমালোচিত। কংগ্রেস...

সাত সকালে আগুন: বাঘাযতীন স্টেশন লাগোয়া আগুনে সাময়িক বিপর্যস্ত ট্রেন পরিষেবা

শীতের সকালে ফের আগুন আতঙ্ক শহরের রেলস্টেশন লাগোয়া এলাকায়। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার বাঘাযতীন স্টেশন লাগোয়া দোকানগুলিতে আগুন (shop...

প্রয়াত সমীর পুততুণ্ড, আন্দোলনের ‘সঙ্গী’কে হারিয়ে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

মধ্যরাতে প্রয়াত পিডিএস নেতা সমীর পুততুণ্ড। দীর্ঘদিন রোগে শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। বাম আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করলেও সিপিআইএম-এর (CPIM)...