স্ত্রীর ‘প্রেমিক’ সন্দেহে ভাড়াটেকে জীবন্ত পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতলেন ৩৬ বছরের হরদীপ !

ভাড়াটের সঙ্গে প্রেম করছেন স্ত্রী, পরকীয়ার সন্দেহে প্রমাণ পেতেই মারাত্মক কাণ্ড ঘটালেন বছর ছত্রিশের বছরের হরদীপ (পেশায় কৃষক) । ভাড়াটেকে জীবন্ত পুড়িয়ে মাটির নীচে প্রায় ৭ ফুট গভীর গর্তে পুঁতে দিলেন অভিযুক্ত। হরিয়ানার রোহতকের (Rohtak, haryana)এই ঘটনায় রীতিমতো অবাক স্থানীয়রা। যদিও ঘটনা প্রায় তিন মাস আগের। গত সোমবার অর্থাৎ ২৪ মার্চ মূল অভিযুক্ত ও তাঁর বন্ধুদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মেরঠ খুনের ঘটনায় যখন মুসকান-সাহিলের একের পর এক কাণ্ড সামনে আসছে, ঠিক তখনই হরিয়ানায় এক ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

রোহতক পুলিশ (Rohtak Police)সূত্রে জানা যায়, শহরের বাবা মাস্তনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (Baba Mastnath University ) যোগাসনের শিক্ষক হিসাবে চাকরি করতেন জগদীপ (৪৫) নামের এক ব্যক্তি ৷ বাড়ি থেকে দূরে চাকরির কারণেই তাঁকে রোহতকের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতে হচ্ছিল৷ বাড়ির মালিক হরদীপের (Hardeep)সন্দেহ হয় যে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে আছেন ভাড়াটে। এরপরই বন্ধুদের সঙ্গে মিলে জগদীপকে খুনের চক্রান্ত করেন অভিযুক্ত৷ ভাড়াটেকে প্রথমে মারধর করা হয়। তারপর জীবন্ত পুড়িয়ে ৭ ফুট গর্তে পুঁতে দেন হরদীপ ও তাঁর বন্ধুরা। এদিকে বাড়ির ছেলের খোঁজ না মেলায় শিক্ষকের পরিবার শিবাজি কলোনি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। জগদীপের ফোন কল খতিয়ে দেখে হরদীপের উপর সন্দেহ হয় পুলিশের। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। মাটি খুঁড়ে দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি হরদীপ ও তাঁর বন্ধু ধরমপালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজ চলছে।