Sunday, February 22, 2026

বক্তৃতা বানচালের সঙ্গে  বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ছক কষেছিল, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ফাঁস তৃণমূল আইটি সেলের

Date:

Share post:

বাম-রাম-অতিবামেরা শুধু অক্সফোর্ডে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা বানচালের ছক কষেই ক্ষান্ত ছিল না, বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রচনা করেছিল তারা। সিপিএম শুধু রক্ত চায়। তাই অক্সফোর্ডে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা মঞ্চকে কেন্দ্র করে সিপিএমের আসল রূপ ফের একবার বেরিয়ে পড়ল। প্রেসিডেন্সির এক স্টুডেন্ট অদ্রিজা রাহা নির্দ্বিধায় সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন, সিপিএমের দ্বারা একটা কাজ ঠিকঠাক হয় না। মাথায় গুলিটা যদি ঠিকঠাক করত, আজ এই দিন দেখতে হত না। একজন ছাত্রীর কী ঔদ্ধত্য! সোজাসুজি গুলি করে খুনের হুঙ্কার তাঁর পোস্টে! আসলে সিপিএমের হার্মাদ-খুনিদের এত বছরের অভ্যাস। সত্যি, এত সহজে কী ভোলা যায়! রক্ত ছাড়া সিপিএম হতেই পারে না! এই বিষয়ে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অভিযোগ জানালেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। তৃণমূলের আইটি সেলের পক্ষ থেকেও দেবাংশু ভট্টাচার্যরা অভিযোগ জানাচ্ছেন।
এই মর্মে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটও সামনে এনেছে তৃণমূল আইটি সেল। অক্সফোর্ডে কেলগ কলেজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুষ্ঠানে হুজ্জুতি করার পরিকল্পনা যে অনেক আগে থেকেই করা হয়েছিল, এই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট তার প্রমাণ। সেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে লেখা হয়েছে, অনেক প্ল্যান করে এটা অর্গানাইজ করা হয়েছিল। আমাদের বার্মিংহাম তিলোত্তমা গ্রুপের বেশ কয়েকজন ছিল। আমরা সবাই চাঁদা তুলে টিকিট কেটেছিলাম কাউকে না জানিয়ে। তাদের মধ্যে আরও নানা কথোপকথন চালানো হয়েছে এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে।
বৃহস্পতিবার অক্সফোর্ডে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় তাদেরই ৬ পিস সম্মিলিত হয়ে গন্ডগোল পাকাতে গিয়েছিল। সেখানে জনতার ঘাড়ধাক্কা খেয়ে পালিয়ে যায়। বানচাল হয়ে যায় তাদের পরিকল্পনা। যারা গন্ডগোল পাকাতে গিয়েছিল, তাদের মাথা হল সুচিন্তন দাস। কে এই সুচিন্তন দাস? তিনি হলেন রবীন্দ্রভারতীর ইতিহাসের অধ্যাপক সুস্নাত দাসের ছেলে। এখানে জেনে রাখা ভালো, এই সুস্নাত দাস কে? রাজ্যপাল নিযুক্ত অধ্যাপকের আমলে ডিন হয়েছেন তিনি। কয়েকদিন আগেই বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের নির্বাচনে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের প্যানেলের কাছে গোহারা হেরেছেন। ওই ৬ পিসের আরও দু’জনকে পাওয়া গিয়েছে। তারা এসএফআইয়ের সক্রিয় সদস্য।

তারপর এসএফআইয়ের ইউকে ইউনিট এই ঘটনার দায় স্বীকার করে আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে, সিপিএম এবং তাদের সহযোগী রাম-অতিবাম সমর্থকরা এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অঙ্গ ছিল। প্রশ্ন একটাই, এসব করে কি লাভ হল সিপিএমের? তারা কি শূন্য থেকে এক হবে? হবে না। বরং শূন্য থেকে মহাশূন্যে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে ফেলল তারা, এই বিশ্বমঞ্চে ধিকৃত হয়ে। ধিক্কার এই দেশবিরোধী, বাংলাবিরোধী, বর্বর সিপিএমকে।

spot_img

Related articles

বিজেপির ওড়িশায় এক বছর ধরে স্কুল পড়ুয়াকে ধর্ষণ! গ্রেফতার ৫ অভিযুক্ত শিক্ষক

আইনের শাসন তো কবেই শিকেয় উঠেছে। এখন বেসরকারি স্কুলগুলিতে কন্যা সন্তানকে পড়তে পাঠানোও দায় হয়েছে বিজেপি শাসিত ওড়িশায়...

পাকিস্তানের সঙ্গে জড়িয়ে সূচির সমীকরণ, সেমির ম্যাচ থেকে বঞ্চিত থাকবে ইডেন?

গ্রুপ পর্বের পর শুরু হয়েছে টি২০ বিশ্বকাপের(T20 World Cup) সুপার আট(Super 8)। প্রথম ম্যাচই বৃষ্টির জন্য ধুয়ে গিয়েছে।...

স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ‘ব্যান’ হবে সোশ্যাল মিডিয়া! আইন আনতে চলেছে কর্ণাটক

উত্তরপ্রদেশ, তারপরে কেরালা। শৈশব থেকে কৈশোরে স্মার্টফোন ও তাতে যথেচ্ছ কন্টেন্ট পেয়ে যাওয়ার কুফল দেখার পরেও শিক্ষা হয়নি...

তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন দীপেন্দুর, লড়বেন বিধানসভা নির্বাচনে?

ভোটের মুখে তৃণমূলে (TMC) প্রত্যাবর্তন দীপেন্দু বিশ্বাসের(Dipendu Biswas)। রবিবার বসিরহাটে দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলে ফিরলেন প্রাক্তন ফুটবলার। ভোটের মুখে...