অভিযুক্তদের পাতাল থেকে হলেও খুঁজে বের করতে হবে। নিহত বিজেপি (BJP) কর্মী প্রশান্ত দে-এর (Prasanta Dey) বাগনানে বাড়িতে গিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বাগনানের পাইকপাড়িতে দুষ্কৃতীর হাতে খুন হন বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে। শনিবার, বিকেলে সেখানে গিয়ে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাগনান-২ ব্লক অফিসে তাঁর বড় মেয়েকে অস্থায়ী চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু। পয়লা জুলাই থেকেই তিনি কাজে যোগ দেবেন। এছাড়া প্রশান্তর পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা নিজস্ব তহবিল থেকে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

১৭ জুন রাতে পাইকপাড়ায় আন্টিলা পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC) উপপ্রধান মফিজুল ইসলাম খানের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে যান প্রশান্ত-সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, মফিজুল ও তাঁর অনুগামীরা প্রশান্তদের উপরে আক্রমণ চালায়। প্রশান্তর মৃত্যু হয়। আরও তিন বিজেপি কর্মী আহত হন। ঘটনার দিনেই ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ১ মহিলা-সহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে (CID)। বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

এদিন নিহত দলীয় কর্মীর বাড়ি পৌঁছে ছবি শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। দীর্ঘ সময় শোকাহত পরিবারের সদস্যদের কথা শোনেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রশান্ত খুনের খবর পেয়ে শুরু থেকেই আমি নজর রাখছিলাম। সিট তৈরি করে তদন্ত শুরু হয়। ৫১ জনের নামে এফআইআর হয়েছিল। ধরা পড়েছে ১০ জন। আমি বলছি, দরকারে পাতাল থেকে তুলে এনে গ্রেফতার করতে হবে। আমি এসপিকে বলেছি। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব।”

প্রশান্তর স্ত্রী সোমা জানান, তাঁর বড় মেয়েকে মুখ্যমন্ত্রী বাগনান-২ ব্লক অফিসে অস্থায়ী চাকরি দেওয়ার কথা বলেছেন। আগামী ১ জুলাই থেকেই তিনি কাজে যোগ দেবেন। পরে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রীও। সোমা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী যে ভাবে আমাদের পাশে আছেন, তাতে আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”

–

–

–

–
