পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটের বাজি কারখানার (Firecracker Factory) লাইসেন্স দুবছর আগেই বাতিল হয়ে যায়। নবান্নে জমা পড়া ঢোলাহাটের বিস্ফোরণ সংক্রান্ত রিপোর্টে এই তথ্য মিলেছে। ঢোলাহাট থানার আইসি-র (Dholahat IC) করা মামলায় এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে বাসন্তীপুজোর জন্য একটি ঘরে বাজি তৈরি করা হচ্ছিল বলে খবর। রাত সাড়ে নটা নাগাদ হঠাৎই বিস্ফোরণ হয়। অভিযোগ, ঢোলাহাট থানা এলাকার চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বাজি তৈরির সময় আচমকাই বাজির স্তূপে আগুন ধরে যায়। বাড়িতে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। পুরো দুর্ঘটনার জেরে সারাবাড়িতে আগুন ধরে যায়। রাতেই শিশু-সহ ৭ জনের মৃত্যু হয়। বুধবার ভোররাতে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সচেতনতার অভাবকেই প্রাথমিকভাবে দায়ী করে পুলিশ। এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার (Supratim Sarkar, ADG South Bengal) মঙ্গলবার, সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “এটা একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। যার মাসুল দিতে হয়েছে বাড়িরই আট সদস্যকে। আমি বা আপনি যদি বাড়িতে পেট্রল রাখি, তার পর সেখানে গ্যাস সিলিন্ডার রাখি, সেখানেই রান্না করি, সেই খবর প্রতিদিন পুলিশের কাছে থাকা সম্ভব নয়। এটা তো সচেতনতার অভাব, দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।“

সূত্রে খবর, বামফ্রন্ট সরকারের জমানা থেকেই এই বাজি ব্যবসা করছিল বণিক পরিবার। বিস্ফোরণের ঘটনার পরেই জেলাশাসককে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় নবান্ন। সরকারি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, অবৈধভাবেই চলছিল ঢোলাহাটে বণিক পরিবারের বাজি কারখানা (Firecracker Factory)। ২০২২ সালে গ্রেফতার হন কারখানার অন্যতম মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক। তার পরেই ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাজি কারখানার লাইসেন্স বাতিল করে প্রশাসন। কিছু দিন থেমে থাকলেও, পরে ফের ব্যবস্থা শুরু করে তারা। চন্দ্রকান্ত বণিককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত তুষার বণিক এখনও অধরা।
আরও খবর: বৃষ্টির পূর্বাভাসেও স্বস্তি নেই দক্ষিণবঙ্গে, দাবদাহের ‘কামব্যাক’ নিয়ে আশঙ্কা হাওয়া অফিসের

–


–


–

–

–
