Thursday, June 25, 2026

দোকান বসানো নিয়ে গোলমালের জেরে ধুন্ধুমার মহেশতলা: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি

Date:

Share post:

দোকান বসানো নিয়ে গোলমালের জেরে ধুন্ধুমার মহেশতলার রবীন্দ্রনগর এলাকায়। দুষ্কৃতীদের ছোড়া ইটে রক্তাক্ত হন বেশ কয়েকজন পুলিশ (Police) আধিকারিক ও কর্মী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাসথ্লে পৌঁছেছেন DIG দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার, জয়েন্ট সিপি ক্রাইম রূপেশ কুমার, আকাশ মাঘারিয়া-সহ অন্যান্য পুলিশ (Police) আধিকারিকরা। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। রবীন্দ্রনগর থানার সামনে বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

বুধবার সকালে রবীন্দ্রনগর এলাকায় ফলের দোকান বসানো নিয়ে গোলমালের সূত্রপাত। বচসা থেকে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চলে। একাধিক বাড়ির ছাদের উপর থেকে ঢিল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এডিজি দক্ষিণবঙ্গ, ডিআইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ-সহ পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে উন্মত্ত জনতা। লাগাতার পাথরবৃষ্টি করা হয়।

রবীন্দ্রনগর থানার সামনে পুলিশের বাইকে আগুন ধরিয়ে দিয় দুষ্কৃতীরা। পাথর ছুড়ে ভাঙা হয়েছে পুলিশের গাড়ির কাচ। ইটের আঘাত লাগে মহিলা কনস্টেবলের মাথায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। ইটের আঘাতে রক্তাক্ত হন পুলিশকর্মীরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যা ফ নামানো হয়। পুলিশের তরফ থেকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়েই পাথর ছুড়ে পুলিশকে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ। প্রথমে পর্যাপ্ত বাহিনী না থাকায় সাময়িক ভাবে পিছু হটতে বাধ্য হয় পুলিশ। পরে অতিরিক্ত ফোর্স আসায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে অগ্রসর হয় পুলিশ।

বাংলা কখনওই গুজরাট হবে না, এখানে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ছিলাম আছি থাকব। মহেশতলা প্রসঙ্গে জানান পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “পুলিশ পুলিশের কাজ করবে। বাংলায় হিংসার কোনও জায়গা নেই। সর্বধর্ম সমন্বয় থাকব, আনন্দের সঙ্গে থাকব। যদি কিছু দুষ্কৃতী তা বিঘ্ন করার চেষ্টা করে তাহলে আইন কঠোরভাবে তার প্রতিরোধ করবে। কড়া শাস্তি হবে। পুলিশের উপর আক্রমণ হলে আইনে যে প্রভিশন আছে সেই অনুযায়ী শাস্তি হবে। কাউকে ছাড়া যাবে না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বিজেপি কী বলল সেটা দিয়ে কিছু যায় আসে না কারণ এরা নিজেরা সন্ত্রাসবাদী। এরা নিজেরা অশান্তি করে এরা উস্কানি দিয়ে মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি করে। আমাদের বাংলা সম্প্রীতির সাথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তা চালিয়ে যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।“

Related articles

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ‘সর্বজনীন’ নয়! বিধানসভায় স্পষ্ট স্বীকারোক্তি অর্থমন্ত্রীর

রাজ্য বিধানসভায় বাজেটের জবাবি ভাষণে এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নতুন অন্নপূর্ণা...

মূল ষড়যন্ত্রকারী কে? কেতন খুনে ধন্দে পুলিশ

পুণের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর ছেলে কেতন আগারওয়াল (Ketan Agarwal Murder Case) খুনে মূল চক্রী কে, তাই নিয়ে ধন্ধে পুলিশ।...

ঋণমুক্তির কোনো রোডম্যাপ নেই বাজেটে! তোপ শোভনদেবের

রাজ্যের ঋণের বোঝা কমানোর কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই বাজেটে। উল্টে বিরোধী আসনে থাকার সময় যে সব সামাজিক প্রকল্পের...

তারাতলার বিপর্যয়ে দোষী হলে প্রাক্তন মেয়রও গ্রেফতার হোন: দাবি তৃণমূল বিধায়কের

তারাতলার বিপর্যয় নিয়ে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) দোষীদের গ্রেফতারের প্রস্তাবকে সমর্থন করলেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক...