পথ দেখিয়েছিলেন সৌরভ, সেই পথের পথিক আরও এক সৌরভ। কথা হচ্ছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং সৌরভ তিওয়ারির প্রসঙ্গে। দাদার মতোই সৌরভ তিওয়ারি(Saurabh Tiwary )।দেশের হয়ে একসময় খেলেছেন। খেলা ছাড়ার পর এখন ঝাড়খণ্ডের ক্রিকেট প্রশাসন(Jharkhand State Cricket Association) চালাচ্ছেন।

অবসর নেওয়ার ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন মহরাজ। সিএবি থেকে বিসিসিআইয়ের শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন। ক্রিকেটার সৌরভের মতোই প্রশাসক সৌরভও অনুপ্রেরণার আরও এক নাম। সৌরভের পরে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে এখন প্রাক্তনদের ঢল। বঙ্গে যেমন ক্রিকেট প্রধান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, তেমনই কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। আরও কয়েকটি রাজ্যের ক্রিকেট প্রশাসনে জড়িয়ে আছেন প্রাক্তনরা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিঠুন মানহাসও দিল্লি রঞ্জি দলের অধিনায়ক ছিলেন।

সেই তালিকায় নাম তুলেছেন সৌরভ তিওয়ারিও(Saurabh Tiwary )। বয়স মাত্র ৩৫। কয়েক দিন আগেও ঝাড়খণ্ড দলের হয়ে খেলেছেন। ভারতের হয়ে ৩টি একদিনের ম্যাচ ছাড়াও ৯৩টি আইপিএলের ম্যাচ খেলেছেন সৌরভ। প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ ১১৬টি। কিন্তু অবসর নিয়ে কোচিংয়ে নয় প্রশাসনিক দায়িত্বভার নিয়েছেন ঝাড়খণ্ড তথা ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার।

বিরাটের নেতৃত্বে ২০০৮-এ ভারতের যে অনূর্ধ্ব ১৯ দল বিশ্বকাপ জিতেছিল তাতে ছিলেন সৌরভ। তখন থেকেই দুজনের বন্ধুত্ব। একসঙ্গে আরসিবির হয়ে খেলেছেন। সৌরভ অবশ্য মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়েও আইপিএল খেলেছেন। রাঁচিতে বিরাট কোহলিকে বিমানবন্দর থেকে আনতে গিয়েছিলেন সৌরভই।

ম্যাচ আয়োজনের সব দায়িত্ব হাসিমুখে সব সামলাচ্ছেন। ঝাড়খণ্ড ক্রিকেট স্টেডিয়াম এমনিতে খুব সৌরভ তাঁর জমানায় রাজ্যের ক্রিকেটের আরও অগ্রগতি হবে বলেই বিশ্বাস ধোনির রাজ্যের ক্রিকেটপ্রেমীদের।

–

–

–

–


