কথা রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisek Banarjee)। সভামঞ্চে চোখের জল নিয়ে অভিযোগ জানানো মাত্রই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। শিক্ষককে ঘরে আটকে লোহার রড দিয়ে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার দাদাকে গ্রেফতার করল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। ৬ দিন ধরে অধরা থাকা অভিযুক্ত আনারুল আলমকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাঁকে চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হবে।

ঘটনাটি বৃহস্পতিবার মালদহের জলঙ্গি ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ((Abhisek Banarjee) সভার। বক্তব্য শুরু করেছেন মাত্র, র্যাম্প ধরে হাঁটতে হাঁটতেই কথা বলছেন তিনি। সেই সময় মঞ্চের কাছে কাঁদতে কাঁদতে ছুটে আসেন এক মহিলা। তাঁর আকুতি-আমাকে বিধবা হওয়ার হাত থেকে বাঁচান। সাদা কাগজে খামে বন্দি অভিযোগ তুলে দেন অভিষেকের হাতে। অভিযোগকারিণী তৌহিদা রহমান। বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বালাপাথর এলাকায়। তাঁর স্বামী হেফজুর রহমান তালগাছি সিনিয়র মাদ্রাসার টিআইসি।

অভিযোগ, সম্প্রতি নতুন করে টিআইসি হওয়ার আক্রোশে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি মনিরুল ইসলামের দাদা আনারুল আলম ও তার দলবল শিক্ষক হেফজুর রহমানকে ঘরবন্দি করে বেধড়ক মারধর করে। লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি বলে দাবি পরিবারের। শেষমেশ সভামঞ্চেই অভিযোগ। কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যুব তৃণমূল সভাপতি মনিরুল ইসলামের দাবি, দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থেই তিনি আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন এবং শিক্ষক দুর্নীতিগ্রস্ত-কারা দোষী তা এলাকাবাসী জানেন।
–

–

–

–

–



