নাকতলা সেখানে সাত কীর্তিমানের কীর্তিকলাপ।যদিও তাঁরা আজ প্রয়াত। ভারতীয় ফুটবলের মারাদোনা কৃশানু দে(krishanu dey), গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার, গীতিকার শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়,বাংলা ব্যান্ডের জনক গৌতম চট্টোপাধ্যায়, উস্তাদ রশিদ খান,কিংবদন্তী হেমাঙ্গ বিশ্বাস, পল্লীগীতির দিকপাল অংশুমান রায়ের পাড়া ছিল নাকতলা। এই ছয় কিংবদন্তীকে এবার শ্রদ্ধা জানানোর পালা শুরু হল।

টালিগঞ্জের ১০০ নম্বর ওয়ার্ডে ‘আমাদের পড়শি, বাংলার গর্ব’ অনুষ্ঠানের সূচনায় মাননীয় মন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস। এই অঞ্চলের বাসিন্দা প্রয়াত ভারতীয় ফুটবলের মারাদোনা কৃশানু দে(krishanu dey ), বিখ্যাত গায়ক রশিদ খান, গীতিকার গৌরী প্রসন্ন মজুমদার, গীতিকার শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, বাংলা ব্যান্ডের রূপকার কিংবদন্তি গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বিশিষ্ট গণসংগীত শিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাস, লোকগানের শিল্পী অংশুমান রায়ের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

কৃশানু দে-র নামে একটি বাস স্ট্যান্ড উদ্বোধন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন কৃশানু দে’র সহধর্মিনী শর্মিলা দে, প্রাক্তণ ফুটবলার ভাস্কর গাঙ্গুলী, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, তরুণ দে, অলোক মুখার্জি, বিকাশ পাঁজি,কৃষ্ণেন্দু রায়, আই এফ এর সচিব অনির্বাণ দত্ত, কলকাতার তিন প্রধান ইস্টবেঙ্গল,মোহনবাগান ও মহামেডানের শীর্ষ কর্তারা এবং আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। এছাড়াও ছিলেন স্থানীয় পৌর প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ দাস।
কৃশানু দে-র স্ত্রী শর্মিলা দে বলেন, আজ ২৩ বছর হয়ে গেল কৃশানু দে প্রয়াত হয়েছেন। কিন্তু অরূপ বিশ্বাস আমাদের পরিবারকে আগলে রেখেলছেন। এত বড় সম্মান দেওয়ার জন্য আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানাই। কৃশানুর সতীর্থরাও স্মৃতি চারনা করেন।



