ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, জিতলে ‘কুকুরমুক্ত গ্রাম’ করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে ৫০০ পথকুকুরকে অমানবিকভাবে খুনের (stray dogs murder) অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর সঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার কামারেড্ডি জেলায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত প্রধানসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নেওয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থাও। তবে পুলিশের দাবি স্থানীয়রা পুলিশের কাজে কোনও সহযোগিতা করছে না। উল্টে অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে গ্রামবাসীরা। আরও পড়ুন: জুনিয়র মিস ইন্ডিয়ার মুকুট বাংলার মেয়ের মাথায়!

পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকমাস আগে বেশ কয়েকটি গ্রামে কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন গ্রামবাসীরা। গত ডিসেম্বরে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় ‘কুকুরমুক্ত’ গ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বর্তমান প্রধান। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই নির্বিচারে চলছে প্রাণী হত্যা। ইঞ্জেকশনের দ্বারা বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলা হয়েছে ৫০০-এর বেশি কুকুর। মারা যাওয়ার পরে গ্রামের এক নির্জন স্থানে গর্ত করে পুঁতে রাখা হত। এক স্বেচ্ছাসেবক সংস্থার কর্মী আদুলপুরম গৌতম এই বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কবর খুঁড়ে বার করা হয় মৃত কুকুরদের দেহ। মঙ্গলবার ভবানীপেট এবং পালওয়ানচা গ্রামে প্রায় ১৫০টি কুকুরের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। বুধবার ফরিদপেটে তল্লাশি চালিয়ে জানা গিয়েছে সেখানে আরও ৫০টি কুকুরকে মারা হয়েছে। তেলেঙ্গানার খানাপুর গ্রামেও ৫০টি পথকুকুরকে বিষ খাইয়ে মারা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত কুকুর গুলোকে ময়নাতদন্তের জন্য ভিসেরার নমুনা ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিল। ১৯৬০ সালের প্রাণী নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

–

–

–

–

–

–

–

–


