“এখানে দেশের প্রধান বিচারপতি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধানও বিচারপতি-সহ অন্যান্য বিচারপতিরা উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের হাত জোড় করে বলছি, দেশে সংবিধানকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। নৈরাজ্য থেকে দেশকে বাঁচান।” শনিবার, জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধনী মঞ্চে সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই অনুষ্ঠানে ছিলেন দেশের প্রধানও বিচারপতি সূর্যকান্ত, কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধানও বিচারপতি সুজয় পাল ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এদিন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর সামনেই বাংলার প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত-সহ অন্যান্য বিচারপতিদের কাছে মুখ্যমন্ত্রী আর্জি জানান, “এখানে দেশের প্রধান বিচারপতি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধানও বিচারপতি-সহ অন্যান্য বিচারপতিরা উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের হাত জোড় করে বলছি, দেশে সংবিধানকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। ঐতিহ্য সংস্কৃতি ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আপনারাই পারেন এমন নৈরাজ্য থেকে দেশকে বাঁচাতে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৮৮টি ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরিতে বরাদ্দ বন্ধ করেছে কেন্দ্র।” কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে তিনি যখন অভিযোগ করছেন, তখন ওই একই মঞ্চে বসে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মেঘওয়াল। কেন্দ্র টাকা আটকে থাকার পরেও ৮৮টি ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরি করা হয়েছে। মমতার কথায়, “৭টি পকসো কোর্ট, ৪ লেবার কোর্ট, ১৯ হিউম্যান রাইটস কোর্ট হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টকে জমিও দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক কাজ হয়েছে। নতুন করে ষষ্ঠ জাজেস কোর্ট তৈরি হয়েছে। সাব ডিভিশনাল জাজেস কোর্ট হয়েছে।”
রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কথায়, “সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভাবতে হবে। ঐক্য নিয়ে সকলকে কথা বলতে হবে। এই সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন উত্তরবঙ্গের জন্য অনেক বড় বিষয়। উত্তরবঙ্গবাসীর জন্যে আজ ঐতিহাসিক দিন। একটা মাইলস্টোন। যারা এই ভবন তৈরি করেছেন তাঁদের অভিনন্দন। ৪০.০৮ একর জমির উপর তৈরি করা হয়েছে এই ভবন।”

–

–

–

–

–

–


