স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে তিনিই মূল অভিযুক্ত। যতদিন আদালতের দিক থেকে কোনও ভয় ছিল না ততদিন বুক ফুলিয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবির চেষ্টা চালিয়েছিলেন। যেই কলকাতা হাই কোর্ট রাজগঞ্জের বিডিও (BDO Rajganj) প্রশান্ত বর্মণকে আত্মসমর্পণের (surrender) নির্দেশ দেয়, ওমনি গা ঢাকা দিয়ে সোজা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এবার সেই সুপ্রিম কোর্টেই কার্যত ঘাড় ধাক্কা প্রশান্ত বর্মণকে। হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে আগে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে এবার ক্রমশ জোরালো হচ্ছে খুনে অভিযুক্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মণের (Prashanta Barman) গ্রেফতারির আশঙ্কা। নিউটাউনে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা খুনের ঘটনায় নিম্ন আদালত থেকে এখনও পর্যন্ত কার্যত অপদস্তই হয়েছেন বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। নিম্ন আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়েছিল। হাই কোর্টে পাল্টা জামিন খারিজের আবেদন করেছিল বিধাননগর পুলিশ (Bidhannagar Police)। হাই কোর্ট জামিনের নির্দেশ খারিজ করেছিল। সেখানেই বারাসত আদালতের নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল হাই কোর্ট।

কলকাতা হাই কোর্ট প্রশান্তকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল। বাঁচতে শেষ ভরসা ছিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার সেই মামলায় ২৩ জানুয়ারির মধ্যে প্রশান্ত বর্মণকে আত্মসমর্পণের (surrender) নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আত্মসমর্পণ করার পরে তিনি জামিনের আবেদন করতে পারবেন, এমনটাও পর্যবেক্ষণে জানায় সুপ্রিম কোর্ট।

আরও পড়ুন : জামিন পেতে এবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ ‘বেপাত্তা’ বিডিও প্রশান্ত

তবে আত্মসমর্পণের পরই পুলিশের হাতে গ্রেফতারির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে প্রশান্ত বর্মণের। ইতিমধ্যেই শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে প্রশান্তর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বের করার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে বিধাননগর পুলিশ, এমনটা পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। ফলে শুক্রবারই প্রশান্তর গ্রেফাতারির সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।

–

–

–

–

–


