ক্যালেন্ডারের পাতায় পৌষ-মাঘ শীতকাল (winter) হলেও বসন্ত পঞ্চমী থেকেই মূলত ঋতুরাজের আগমন ঘটে। কিন্তু তাই বলে ঠান্ডার ইনিংস যে এভাবে বেপাত্তা হয়ে যাবে সেটা আশা করেনি বাঙালি। পৌষ জুড়ে দিব্যি শীতের আমেজ বজায় ছিল, কিন্তু মাঘ মাস পড়তেই ঘূর্ণাবর্ত-ঝঞ্ঝার জোড়া ফলা এসে হাজির। ভোরের দিকে শিরশিরানি থাকলেও বেলা গড়াতেই রোদের প্রভাবে যথেষ্ট অস্বস্তি বাড়ছে। যেভাবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে তাতে অকাল শীত বিদায়ের সম্ভাবনার কথা বলছে হাওয়া অফিস (Alipore Weather Department) ।

শীতের এই ভোলবদলের জন্য আবহাওয়াবিদরা অবশ্য ঝঞ্ঝা কাঁটাকেই দায়ী করেছেন। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৭ এবং ১৬ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ পঞ্জাবের উপর একটি সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে ৷ দক্ষিণবঙ্গে এই মুহূর্তে বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও সাত জেলায় কুয়াশার দাপট থাকবে।যার মধ্যে রয়েছে কলকাতা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনা। উত্তরবঙ্গে শীতের প্রভাব রয়েছে। দার্জিলিং এবং কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

–

–

–

–

–

–

–

–


