একটি মিছিল করবেন। আর তাতে পুলিশ অনুমতি দেয়নি বলে রাজ্য প্রশাসনের হাজারো ভুল তুলে ধরার চেষ্টা করছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আদতে সেই মিছিলের বাস্তব চেহারা কি? মিছিল শেষে তুলে ধরল বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মোমো কারখানায় আগুন (factory fire) লাগার ঘটনার প্রতিবাদ ও মৃতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikary)। অথচ সেই মিছিলে ডিজে (DJ) বাজিয়ে উদ্দাম নাচ বিজেপি কর্মীদের। শুভেন্দু অধিকারীর আসল শোকের চেহারা স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল।

নাজিরাবাদে (Nazirabad) আগুন লাগার দুর্ঘটনার পর ঘটনার তদন্ত থেকে শুরু করে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সব রকম পদক্ষেপ রাজ্য সরকার নিয়েছে। এরপরেও শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তোলেন এত বড় দুর্ঘটনার পরেও কেন মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছাননি। সেখানে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের জবাব, ওখানে মুখ্যমন্ত্রী দমকল, পুলিশ, প্রশাসন সর্বশক্তি নামিয়েছেন। যেহেতু একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফলে ফরেনসিকের নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে। আগুনের ধ্বংসাবশেষ থেকে দেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। ফলে এই ধরনের অভিযোগের আগে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ভেবে করা উচিত।

আদতে ঘটনার এতদিন পরে কেন শুভেন্দু সেখানে গেলেন তা স্পষ্ট করে দেন কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করেন, যখন আগুন জ্বলছিল, যখন সেখানে উদ্ধার কাজ চলেছে, তখন সেখানে তৃণমূলের মন্ত্রী তৃণমূলে জনপ্রতিনিধিরা ছিলেন। আর শুভেন্দু অধিকারীরা (Suvendu Adhikary) তখন অন্ডালে সভাপতিকে (BJP president) অভ্যর্থনা জানাবে বলে গাঁদা ফুলের মালা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তখন মনে পড়েনি এখানে একটি অগ্নিকাণ্ড দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঘটেছে। ওখানে মানুষ বা প্রশাসনকে উদ্ধারে সাহায্য করা উচিত, মনে হয়নি। সেই সময়ে থাকি। সেটা মনে হয়নি। তিনদিন পরে এখানে গণ্ডগোল করার ইচ্ছা হল। আর ডিজে বাজিয়ে নাচ!

আরও পড়ুন : কোনও দুর্ঘটনাই আকস্মিক নয়: আনন্দপুরের দুর্ঘটনাস্থলে পরিদর্শনের পরে মন্তব্য রাজ্যপালের

নাজিরাবাদের ঘটনায় দমকল মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রসঙ্গে গোয়ার নাইট ক্লাবের কথা স্মরণ করিয়ে কুণাল মনে করিয়ে দেন, গোয়ায় (Goa) তো বিজেপির সরকার। সেখানে নাইট ক্লাবে আগুন লেগে এত জনের মৃত্যু হল। সেখানে তো মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেননি। গুজরাটে পরপর সেতু ভেঙে লোক মারা গেল। আমেদাবাদে এত বড় বিমান দুর্ঘটনা ঘটলো। তাতে কেন্দ্রের অসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেননি। তাহলে সেই উত্তরগুলি এনে তারপরে শুভেন্দু অধিকারী এই প্রশ্ন তুলবেন।

How depraved must one be to celebrate at a procession meant to mourn the dead?
How deranged must one be to convert grief into a maniacal spectacle, with DJs blaring campaign songs, choreographed cheering, and people dancing over tragedy?
Is this how expendable Bengal’s lives… pic.twitter.com/GPtmQsCpQh
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) January 30, 2026
–

–

–

–



