রাজ্যের কর্মীদের পরে এবার কেন্দ্র সরকারের কর্মীরাও এসআইআর-এর অপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। পর্যবেক্ষক পদে নিযুক্ত এলআইসি (LIC) কর্মীরা কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন। সেই মামলায় নির্বাচনের কমিশনের (Election Commission) ব্যাখ্যা তলব করল আদালত। দু’সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন এবং এলআইসি কর্তৃপক্ষকে বক্তব্য জানাতে হবে।

নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজে বাংলার মাইক্রো অবজারভার হিসাবে ১২০৪ জন এলআইসি কর্মীকে নিয়োগ করেছে। এলআইসি কর্মী হিসাবে কাজের ভিত্তিতে এই কর্মীরা প্রতিদিনের বোনাস পান। এই কাজের ভিত্তিতে বছর শেষে পারফর্মেন্স বোনাসও পেয়ে থাকেন। কিন্তু এখন এসআইআর-এর (SIR) কাজ করতে গিয়ে তাঁরা নিজেদের দৈনিক কাজ করতে পারছেন না। ফলে দৈনিক বোনাস (bonus) থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে, এর প্রভাব পড়বে তাঁদের বাৎসরিক বোনাসেও।

এই অভিযোগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে শুক্রবার শুনানি হয় মামলায়। বিচারপতি রাওয়ের প্রশ্ন, কমিশন চাইলেও এলআইসি কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্টভাবে ওই কর্মীদেরই কেন এসআইআরের কাজে নাম পাঠিয়েছে? নির্বাচন কমিশন ও এলআইসি কর্তৃপক্ষ – উভয়েরই জবাব তলব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : রাজ্য পুলিশের নতুন ডিজি পীযূষ পাণ্ডে, রাজ্যজুড়ে পুলিশ আধিকারিকদের ব্যাপক রদবদল

এলআইসি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। কিন্তু সেখানকার কর্মীদের একটা বড় অংশের যুক্তি, এসআইআর-এর কাজ করতে গিয়ে বছর শেষে তাঁদের নিজেদের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। বিএলও-দের উপর যে বিপুল পরিমাণ কাজের চাপ গত তিন মাস ধরে চাপিয়ে আসছে নির্বাচন কমিশন, প্রতিটি ধাপে সেই কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নজরদারি করেন এই মাইক্রো অবজার্ভাররা। ফলে যে চাপ এই এলআইসি কর্মীদের উপর দেওয়া হচ্ছে, তাতে তাঁদের দৈনিক অর্থ উপার্জনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

–

–

–

–

–

