সাম্প্রদায়িক বিভাজন যে বিজেপির দেশ চালানোর একটি বড় এজেন্ডা, তা বারবার তুলে ধরেছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার মানুষকে ভাষা ও ধর্মের ভিত্তিতে বিজেপি শাসিত সব রাজ্যে (BJP states) চরম হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে। এবার সেই হিংসার শিকার কাশ্মীরের শাল বিক্রেতারা (shawl seller)। তবে ঘটনায় চুপ করে নেই কাশ্মীর। সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে দেরাদুনের (Dehradun) ঘটনার অভিযোগ লিখিত আকারে জানালো জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) ছাত্র সংগঠন।

উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন জেলার বিকাশনগর এলাকায় কাজের সূত্রে কাশ্মীর থেকে গিয়েছিলেন দুই নাবালক শাল বিক্রেতা। একটি খাবারের দোকানে চিপস কিনতে গেলে দোকানদার তাঁদের নাম, ধর্ম ও ঠিকানা জানতে চান বলে অভিযোগ। আক্রান্তদের একজন নিজের নাম দানিশ বলতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। তিনি মুসলিম কি না—এই প্রশ্নের উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলায় দোকানদার পহেলগামের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গ টেনে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করতে শুরু করেন। অভিযোগ, কথাকাটাকাটির পর দোকানদার দোকান থেকে বেরিয়ে এসে আচমকা একটি লোহার রড নিয়ে দুই নাবালকের উপর হামলা চালান। দানিশের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে, দিতে হয়েছে প্রায় ১৫টি সেলাই।

আরও পড়ুন : ধর্ম জেনে বেধড়ক মার! বিজেপি রাজ্যে আক্রান্ত কাশ্মীরের যুবক

গোটা ঘটনায় বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকেই (BJP states) দায়ী করেছে জম্মু ও কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (JKSA)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে তাঁরা দাবি করেন, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ-সহ একাধিক উত্তর ভারতীয় রাজ্যে কাশ্মীরি ব্যবসায়ী, শাল বিক্রেতা, শ্রমিক ও ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে পরিচয়ভিত্তিক হেনস্তা ও হিংসার ঘটনা ঘটছে। সংগঠনের অভিযোগ, এটি একটি উদ্বেগজনক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রবণতা। অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ ও কাশ্মীরিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়ে তাঁদের তরফে।

–

–

–

–

–

–

