বীর চিলারায়ের জন্মবার্ষিকী ১ ফেব্রুয়ারী। কোচ রাজবংশের অসাধারণ যোদ্ধা ও রণকৌশলী ছিলেন তিনি। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

তিনি লেখেন, ”কোচ-রাজবংশী বীরত্ব, শক্তি, প্রজ্ঞা, মর্যাদা এবং মানবতার মূর্ত প্রতীক বীর চিলারায়ের জন্মবার্ষিকীতে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। কোচ রাজবংশের এই অসাধারণ যোদ্ধা ও রণকৌশলী তাঁর অসামান্য সাহস, ক্ষিপ্রতা এবং সামরিক দক্ষতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। কোচ সেনাবাহিনীর সেনাপতি হিসেবে তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে গেরিলা যুদ্ধের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হন। আরও পড়ুনঃ রবিদাস জয়ন্তী উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ্য

কোচ-রাজবংশী বীরত্ব, শক্তি, প্রজ্ঞা, মর্যাদা এবং মানবতার মূর্ত প্রতীক বীর চিলারায়ের জন্মবার্ষিকীতে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম।
কোচ রাজবংশের এই অসাধারণ যোদ্ধা ও রণকৌশলী তাঁর অসামান্য সাহস, ক্ষিপ্রতা এবং সামরিক দক্ষতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। কোচ সেনাবাহিনীর সেনাপতি হিসেবে তিনি ভারতীয়…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 1, 2026
বীর চিলারায় শুধু রাজবংশী সম্প্রদায়কেই নয়, বরং সমগ্র বাংলা ও ভারতের অগণিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন ও করে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও বীরত্বের ফলেই কোচ রাজবংশ তার পূর্ণ গৌরব অর্জন করেছিল। আমি গর্বিত, তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজ্য সরকার তাঁর জন্মদিনে উত্তরবঙ্গে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া, কোচবিহারে বীর চিলারায়ের ১৫ ফুট উঁচু একটি বিশাল মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। এটি এখন জেলার একটি প্রধান দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে। এছাড়া, ‘মহাবীর চিলারায় রোড’ এবং ‘মহাবীর চিলারায় কমিউনিটি হল’ নির্মাণসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।”

–

–

–

–

–

–



