আরজিকর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ করে পিঠ বাঁচানোর যাবতীয় প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে গেল চিকিৎসক আখতার আলির (Akhtar Ali)। এবার জামিন অযোগ্য ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (arrest warrant) জারির নির্দেশ দিল বিশেষ সিবিআই আদালত (Special CBI Court)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবার তাঁকে গ্রেফতার করে কি না, তা নিয়েই জল্পনা।

আরজিকরের আর্থিক দুর্নীতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত চিকিৎসক আখতার আলি। কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) আগাম জামিন খারিজ হয়েছে তাঁর। বিশেষ সিবিআই আদালত তাঁর বিরুদ্ধে আগেই সমন জারি করেছিল। সেই সমন থেকে মুক্তি পেতেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েও অভিযোগ থেকে খালাস পাননি অভিযোগকারী চিকিৎসক।

শুক্রবার এই মামলায় তাঁকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছিল বিশেষ আদালত। তাঁর আইনজীবীরা জানান, তিনি অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি। ফলে উপস্থিত থাকতে পারেননি। পাল্টা সিবিআই আইনজীবী দাবি করেন, ১২ বছর ধরে যে আর্থিক দুর্নীতির দায়ে তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও তাঁর সহযোগীরা দোষী একই দোষে দোষী আখতার আলিও। কিন্তু মত বিভেদ হওয়ায় তিনি মামলা করেন। তাতে তাঁর দোষ কোনও অংশে কমে না।

সেই সঙ্গে সিবিআই আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন, যে আর্থিক দুর্নীতিতে দেড় বছর ধরে জেলে রয়েছেন সন্দীপ ঘোষ ও অন্যান্যরা, সেই দোষেই আখতার আলি কেন জেলের বাইরে থাকবেন। শুক্রবার আখতার আলি (Akhtar Ali) আদালতে সশীরের উপস্থিত না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারক সুজিত কুমার ঝা। তিনি জানান, গোটাটাই আদালতে না আসতে হয়, তার জন্য নানা ফিকির করছেন আখতার আলি।

আরও পড়ুন : আগাম জামিন খারিজ: আরজিকর দুর্নীতিতে আখতারকে এবার হেফাজতে নিতে পারে CBI

এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য (non-bailable) গ্রেফতারি পরোয়ানা (arrest warrant) জারির নির্দেশ দেন বিচারক। দ্রুত তাঁকে গ্রেফতারির নির্দেশ দেওয়া হয়। সিবিআই এক সময় এই আখতার আলিকেই আরজিকর আর্থিক মামলায় হুইসল ব্লোয়ার হিসাবে দাঁড় করিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এবার সেই আখতার আলিকে সিবিআই গ্রেফতার করে কি না, তা-ই দেখার।

–

–

–

–

