বিধানসভায় মানুষের বাজেট (Budget) পেশের পরের দিনে সেই বাজেটের ব্যাখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক (Partha Bhowmik)। শুক্রবার, সাংবাদিক বৈঠক করে এর ব্যাখ্যা দেন অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে সাংসদ পার্থ মনে করিয়ে দেন, মোদি সরকারের মতো জুমলা নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার কথা দিলে কথা রাখে।

বৃহস্পতিবার, ভোটের আগে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট (Budget) পেশ করেছেন চন্দ্রিমা। এদিন বাংলা জুড়ে তাঁর দলীয় সতীর্থরা এই জনমুখী বাজেটের প্রচার করছেন। তিনিও বাজেটের অংশ ধরে ধরে তথ্য তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গত ১৫ বছরের সরকারের সাফল্য-আর্থিক বরাদ্দ-উন্নয়ন পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন। কীভাবে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে মানুষের চিকিৎসা পরিষেবায় বিপ্লব এনেছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাড়তি আর্থিক বরাদ্দ বাড়ল, যুবসাথী চালু করা হল। এদিন তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই সৈনিক।

পার্থ ভৌমিক মনে করিয়ে দিয়েছেন, মোদি সরকারের মতো জুমলা নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কথা দিলে কথা রাখে। কারণ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা বাংলার মানুষের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ভরসা। বৃহস্পতিবার বাজেট পেশের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপদেষ্টা ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বাজেট ব্যাখ্যা করেছিলেন। আর এদিন গোটা বাংলার সঙ্গে ফের একবার মানুষের বাজেট কী ও কেন তা স্মরণ করালেন অর্থমন্ত্রী।

–

–

–

–

–

–

–

