শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের প্রায় সতেরো মাস পরে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন (Bangladesh election) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে ভোট গ্রহণ পর্ব, চলবে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত। তারপরই হবে ভোট গণনা। মোট ২৯৯টি আসনের জন্য চলছে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ। এই সাধারণ নির্বাচনে ২০০০ জনেরও বেশি প্রার্থী লড়াই করছেন, যার মধ্যে মাত্র ৭৮ জন মহিলা। এবারের ভোটে মোট ৬০টি রেজিস্ট্রেড রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থী দিয়েছে বলে জানা গেছে। এ বারে একইসঙ্গে দু’টি করে ভোট দেবেন বাংলাদেশের ভোটারেরা। একটি প্রার্থী বাছাইয়ের ভোট। অন্যটি সে দেশে প্রস্তাবিত সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়ে ভোটারের মতামত। পরবর্তীতে যা নিয়ে একটি গণভোট হবে এবং প্রার্থী বাছাইয়ের সঙ্গে সেটির বিষয়েও নিজেদের মতামত জানাবেন বাংলাদেশি নাগরিকরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সুষ্ঠুভাবে সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করার ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশের প্রশাসন। সাম্প্রতিককালের অশান্তি এবং অস্থিরতার কথা মাথায় রেখে স্পর্শকাতর চিকেনস্ নেক-এ (chicken’s neck)বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে। বাংলাদেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ, নতুন ভোটার প্রায় ৩.৫৮ শতাংশ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৫ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়লে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে বলে জানাচ্ছে এক জনমত সমীক্ষা। নির্বাচনে ৯০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার নজরদারি রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা রক্ষীরা বডি ক্যাম পরে থাকবেন। স্পর্শকাতর এলাকায় চলবে ড্রোন নজরদারিও। ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্রের জন্য অন্তত ৯ লক্ষেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী রাখা হয়েছে বলে কমিশন (Bangladesh Election Commission) সূত্রে জানা গেছে।

–

–

–

–

–

–

–

–

