Friday, June 19, 2026

বেছে বেছে বাংলার জন্যই নতুন নিয়ম: সরকারি বাড়ির নথিতেও গ্রাহ্য নয় ভোটাধিকার!

Date:

Share post:

এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া সমাপ্ত। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তকমা মুছতে সাধারণ ভোটাররা যে নথি জমা দেওয়ার তা দিয়ে ফেলেছেন। সোমবারের মধ্যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার ফর্ম ৭ নিয়ে যাবতীয় কাজ শেষ করার নির্দেশও দিয়ে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এখন নতুন করে নির্দেশিকা জারি করা হল, সরকারের দেওয়া কোনও ধরনের আবাস যোজনার (housing scheme) নথি ভোটারের প্রামাণ্য হিসাবে গৃহিত হবে না। সেখানেই বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রশ্ন, সাংবিধানিক সংস্থা (constitutional body) হয়েও নির্বাচন কমিশন কীভাবে সরকারের অর্থে দেওয়া যোজনার নথিকে অস্বীকার করে? বাস্তবে এটা বেছে বেছে বাংলার ভোটারদের (voter) নাম দেওয়ার আরও একটি চক্রান্ত।

দিল্লির নির্বাচন কমিশন যে সূচি তৈরি করেছিল, তাতে এতদিনে বাংলার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার দিন পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি (logical discrepancy) বলে যে নতুন খেলা বাংলার ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য খেলতে গিয়েছিল নির্বাচন কমিশন ও সিইসি জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar, CEC), তা বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে আটকে গিয়েছে। এসআইআর শুনানি (SIR hearing) পর্যন্ত প্রায় ৬৪ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা (voter list) থেকে অযোগ্য বলে বাদ দেওয়ার দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন। বাকি রয়েছে ফর্ম ৭ (Form 7) দিয়ে যে বিপুল পরিমাণ নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে, তার যাচাই।

সেই যাচাই (scrutiny) প্রক্রিয়া শুরু হতেই এবার নতুন নির্দেশিকা দিল্লির কমিশনের। জানানো হল – প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, ইন্দিরা আবাস যোজনা, বাংলার বাড়ি ইত্যাদি প্রকল্পে (government scheme) সরকারি ঘর বা জমি পাওয়ার নথি যদি ভোটার (voter) জমা দেন ভোটাধিকার প্রমাণের জন্য, তা গৃহিত হবে না। সেখানেই প্রশ্ন উঠেছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা এই নথি দিয়ে ভোটাধিকার প্রমাণের চেষ্টা করেছেন, তাঁরা কীভাবে জানতে পারবেন এটা তাঁদের উপর নতুন করে চাপিয়ে দেওয়া শর্ত? আর তাহলে নতুন নথি জমা দেওয়ার সুযোগই বা পাবেন কীভাবে তাঁরা?

আরও পড়ুন : আরও দ্রুত কাজ: কর্তব্যে গাফিলতিতে রাজ্যের সাত আধিকারিককে সাসপেনশন কমিশনের!

সেখানেই নির্বাচন কমিশনের দ্বিচারিতাকে প্রশ্ন করা হয় বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ, যা বিজেপির ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশনের (One Nation One Election) নীতি নিয়ে চললেও আদতে বি-টিম দিয়ে বাংলার জন্য আলাদা নিয়ম তৈরি করে। যেখানে সাংবিধানিক সংস্থা হিসাবে কমিশনের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক অধিকারকে রক্ষা করা, সেখানে তারা একটি রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। আদতে এটি নির্বাচন কমিশন নয়, নির্বাচন অমিশন (Election Ommission)।

Related articles

বিবাহিত অম্বরীশ! অভিনেতার ছবি পোস্ট করে চমক কৌশিকের

বৃষ্টিভেজা শুক্রের সকালে টলিউডে সুখবর। বিয়ে করেছেন অভিনেতা অম্বরীশ ভট্টাচার্য (Ambarish Bhattacharya)! পাত্রী নাকি এয়ারহোস্টেস। আর বিয়েটা হয়েছে...

গয়না কেনার আগে দেখে নিন শুক্রবার কলকাতায় সোনা-রুপোর নতুন দাম

সোনা বা রুপো কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে বাজারে যাওয়ার আগে জেনে নিন আজকের দর। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং...

PAC-র চেয়্যারম্যান পদে ফিরহাদ?

বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্ট চেয়্যারম্যান কে হবেন? এনিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চর্চা চলছে। এই পদটি বিরোধী দলকে দেওয়াই নিয়ম। এবার...

জলমগ্ন কলকাতা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পথে নামলেন অগ্নিমিত্রা

বর্ষার বৃষ্টিতে নাকাল কলকাতা। জল থই থই উত্তর থেকে দক্ষিণ। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মহাত্মা গান্ধী রোড, আমহার্স্ট স্ট্রিট, সল্টলেক...