Friday, June 19, 2026

I.N.D.I.A.-র নেতৃত্বে উপযুক্ত ‘মুখ’ মমতা! মন্তব্য মনমোহনের উপদেষ্টা বারুর

Date:

Share post:

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্বে একমাত্র ‘উপযুক্ত’ মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্তব্য করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মিডিয়া উপদেষ্টা সঞ্জয় বারু। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পোড় খাওয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় বারুর এই মন্তব্য বাংলার বিধানসভা ভোটের মুখে অত্যন্ত অর্থবহ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার তুলনা টানা কার্যত অসম্ভব। সাংসদ এবং হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে লম্বা ইনিংসের পরে তিনি ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের পুনরুত্থানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। তাঁর হাত ধরে একটানা তিন বার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গোটা পটভূমি বিশ্লেষণ করার পরে সঞ্জয় বারুরের যুক্তি হলো, কংগ্রেসের জন ভিত্তি তলানিতে ঠেকেছে। দিনে দিনে তারা পিছু হটছে। সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হতে পারেন ইন্ডিয়া জোটের পরিত্রাতা। সঞ্জয় বারুরের এই অভিমতের সঙ্গে একমত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। তিনি দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।

গোটা দেশ জানে এই মুহুর্তে বিজেপির সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জার হল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সুপ্রিমো, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে জাতীয় স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার গর্জে উঠছে তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের জনবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে আছে অগনতান্ত্রিক কৃষি বিল, সাধারণ ও স্বাস্থ্য বিমায় জিএসটি প্রত্যাহার, পহেলগাও সন্ত্রাস হামলা এবং অনৈতিক ও স্বেচ্ছাচারী এসআইআর কেন্দ্রীক প্রতিবাদও। সংসদের ভিতরে ও বাইরে আলাদা জোরদার আন্দোলন করে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছে। এই আবহে সঞ্জয় বারুর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢালাও প্রশংসা করায় আরোও চাপ বাড়লো কংগ্রেসের, এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইন্ডিয়া জোটের মুখ হিসেবে তুকে ধরার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সঞ্জয় বারুর আরও বলেন, বিজেপি একটি পুরুষ প্রধান রাজনৈতিক দল। বিজেপিতে মহিলা নেত্রীর সংখ্যা খুবই কম। সেই প্রেক্ষিতে একজন মহিলা নেত্রীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট গড়ে উঠলে সর্বভারতীয় মহিলা ভোটব্যাঙ্কে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাঁর কথায়, ইন্দিরা গান্ধীর পরে দেশে কোনও মহিলা প্রধানমন্ত্রী নেই। বারুরের কথাতেই স্পষ্ট, তিনি আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন।

বিজেপি বিরোধী I.N.D.I.A.-এর (Indian National Developmental Inclusive Alliance) নেতৃত্বে একমাত্র ‘উপযুক্ত’ মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মন্তব্য করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের (Manmahon Sing) মিডিয়া উপদেষ্টা সঞ্জয় বারু। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পোড় খাওয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় বারুর এই মন্তব্য বাংলার বিধানসভা ভোটের মুখে অত্যন্ত অর্থবহ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার তুলনা টানা কার্যত অসম্ভব। সাংসদ এবং হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে লম্বা ইনিংসের পরে তিনি ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের পুনরুত্থানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। তাঁর হাত ধরে একটানা তিন বার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গোটা পটভূমি বিশ্লেষণ করার পরে সঞ্জয় বারুরের যুক্তি হলো, কংগ্রেসের জন ভিত্তি তলানিতে ঠেকেছে। দিনে দিনে তারা পিছু হটছে। সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হতে পারেন I.N.D.I.A.-এর পরিত্রাতা। সঞ্জয় বারুরের এই অভিমতের সঙ্গে একমত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। তিনি দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত। আরও পড়ুন: মীনা দেবী-মহেশের বিতণ্ডায় উত্তপ্ত পুরসভায় বাজেট অধিবেশন, মালা-দেবাশিসের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি

গোটা দেশ জানে এই মুহুর্তে বিজেপির সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জার হল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সুপ্রিমো, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে জাতীয় স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার গর্জে উঠছে তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের জনবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে আছে অগনতান্ত্রিক কৃষি বিল, সাধারণ ও স্বাস্থ্য বিমায় জিএসটি প্রত্যাহার, পহেলগাও সন্ত্রাস হামলা এবং অনৈতিক ও স্বেচ্ছাচারী এসআইআর কেন্দ্রীক প্রতিবাদও। সংসদের ভিতরে ও বাইরে আলাদা জোরদার আন্দোলন করে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছে। এই আবহে সঞ্জয় বারুর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢালাও প্রশংসা করায় আরোও চাপ বাড়লো কংগ্রেসের, এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে I.N.D.I.A.-এর মুখ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সঞ্জয় বারুর আরও বলেন, বিজেপি একটি পুরুষ প্রধান রাজনৈতিক দল। বিজেপিতে মহিলা নেত্রীর সংখ্যা খুবই কম। সেই প্রেক্ষিতে একজন মহিলা নেত্রীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট গড়ে উঠলে সর্বভারতীয় মহিলা ভোটব্যাঙ্কে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাঁর কথায়, ইন্দিরা গান্ধীর পরে দেশে কোনও মহিলা প্রধানমন্ত্রী নেই। বারুরের কথাতেই স্পষ্ট, তিনি আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন।

Related articles

কলকাতা বিমানবন্দরে প্রবল বজ্রপাত, আহত ২ গ্রাউন্ড স্টাফ

শুক্রবার সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টি দক্ষিণ বঙ্গ জুড়ে। কলকাতা সহ ১০ জেলায় শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টিপাত।...

যোগ দিবসে ভোর থেকেই চলবে মেট্রো, জানুন বিশেষ পরিষেবার সময়সূচি

আগামী রবিবার রাজ্যের সর্বত্র মহাসমারহে  আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (Yoga Day) পালিত হবে। কলকাতার রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি...

প্রবল বৃষ্টিতে উত্তরে জাতীয় সড়কে ধস, ভাঙল সেতু, দক্ষিণে জারি হলুদ সতর্কতা

রাতভর প্রবল বৃষ্টি, প্রবল বৃষ্টিতে(Rain) উত্তরবঙ্গের(North Bengal) কার্শিয়ঙের ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস, যান চলাচল ব্যহত। প্রবল বৃষ্টিতে...

বিদ্রোহী সাংসদদের ইস্যুতে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক, দিল্লি যাচ্ছেন অভিষেক

রাজ্যে পালা বদলের পর বিধানসভার পাশাপাশি লোকসভাতেও তৃণমূলের(TMC) ভাঙন অব্যাহত। ইতিমধ্যেই ২০ জন সাংসদ  ভিন্ন ব্লকে নাম লিখিয়েছেন,...