Saturday, May 30, 2026

I.N.D.I.A.-র নেতৃত্বে উপযুক্ত ‘মুখ’ মমতা! মন্তব্য মনমোহনের উপদেষ্টা বারুর

Date:

Share post:

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্বে একমাত্র ‘উপযুক্ত’ মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্তব্য করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মিডিয়া উপদেষ্টা সঞ্জয় বারু। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পোড় খাওয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় বারুর এই মন্তব্য বাংলার বিধানসভা ভোটের মুখে অত্যন্ত অর্থবহ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার তুলনা টানা কার্যত অসম্ভব। সাংসদ এবং হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে লম্বা ইনিংসের পরে তিনি ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের পুনরুত্থানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। তাঁর হাত ধরে একটানা তিন বার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গোটা পটভূমি বিশ্লেষণ করার পরে সঞ্জয় বারুরের যুক্তি হলো, কংগ্রেসের জন ভিত্তি তলানিতে ঠেকেছে। দিনে দিনে তারা পিছু হটছে। সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হতে পারেন ইন্ডিয়া জোটের পরিত্রাতা। সঞ্জয় বারুরের এই অভিমতের সঙ্গে একমত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। তিনি দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।

গোটা দেশ জানে এই মুহুর্তে বিজেপির সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জার হল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সুপ্রিমো, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে জাতীয় স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার গর্জে উঠছে তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের জনবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে আছে অগনতান্ত্রিক কৃষি বিল, সাধারণ ও স্বাস্থ্য বিমায় জিএসটি প্রত্যাহার, পহেলগাও সন্ত্রাস হামলা এবং অনৈতিক ও স্বেচ্ছাচারী এসআইআর কেন্দ্রীক প্রতিবাদও। সংসদের ভিতরে ও বাইরে আলাদা জোরদার আন্দোলন করে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছে। এই আবহে সঞ্জয় বারুর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢালাও প্রশংসা করায় আরোও চাপ বাড়লো কংগ্রেসের, এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইন্ডিয়া জোটের মুখ হিসেবে তুকে ধরার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সঞ্জয় বারুর আরও বলেন, বিজেপি একটি পুরুষ প্রধান রাজনৈতিক দল। বিজেপিতে মহিলা নেত্রীর সংখ্যা খুবই কম। সেই প্রেক্ষিতে একজন মহিলা নেত্রীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট গড়ে উঠলে সর্বভারতীয় মহিলা ভোটব্যাঙ্কে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাঁর কথায়, ইন্দিরা গান্ধীর পরে দেশে কোনও মহিলা প্রধানমন্ত্রী নেই। বারুরের কথাতেই স্পষ্ট, তিনি আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন।

বিজেপি বিরোধী I.N.D.I.A.-এর (Indian National Developmental Inclusive Alliance) নেতৃত্বে একমাত্র ‘উপযুক্ত’ মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মন্তব্য করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের (Manmahon Sing) মিডিয়া উপদেষ্টা সঞ্জয় বারু। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পোড় খাওয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় বারুর এই মন্তব্য বাংলার বিধানসভা ভোটের মুখে অত্যন্ত অর্থবহ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার তুলনা টানা কার্যত অসম্ভব। সাংসদ এবং হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে লম্বা ইনিংসের পরে তিনি ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের পুনরুত্থানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। তাঁর হাত ধরে একটানা তিন বার পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গোটা পটভূমি বিশ্লেষণ করার পরে সঞ্জয় বারুরের যুক্তি হলো, কংগ্রেসের জন ভিত্তি তলানিতে ঠেকেছে। দিনে দিনে তারা পিছু হটছে। সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হতে পারেন I.N.D.I.A.-এর পরিত্রাতা। সঞ্জয় বারুরের এই অভিমতের সঙ্গে একমত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। তিনি দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত। আরও পড়ুন: মীনা দেবী-মহেশের বিতণ্ডায় উত্তপ্ত পুরসভায় বাজেট অধিবেশন, মালা-দেবাশিসের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি

গোটা দেশ জানে এই মুহুর্তে বিজেপির সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জার হল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সুপ্রিমো, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে জাতীয় স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার গর্জে উঠছে তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের জনবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে আছে অগনতান্ত্রিক কৃষি বিল, সাধারণ ও স্বাস্থ্য বিমায় জিএসটি প্রত্যাহার, পহেলগাও সন্ত্রাস হামলা এবং অনৈতিক ও স্বেচ্ছাচারী এসআইআর কেন্দ্রীক প্রতিবাদও। সংসদের ভিতরে ও বাইরে আলাদা জোরদার আন্দোলন করে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছে। এই আবহে সঞ্জয় বারুর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢালাও প্রশংসা করায় আরোও চাপ বাড়লো কংগ্রেসের, এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে I.N.D.I.A.-এর মুখ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সঞ্জয় বারুর আরও বলেন, বিজেপি একটি পুরুষ প্রধান রাজনৈতিক দল। বিজেপিতে মহিলা নেত্রীর সংখ্যা খুবই কম। সেই প্রেক্ষিতে একজন মহিলা নেত্রীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট গড়ে উঠলে সর্বভারতীয় মহিলা ভোটব্যাঙ্কে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাঁর কথায়, ইন্দিরা গান্ধীর পরে দেশে কোনও মহিলা প্রধানমন্ত্রী নেই। বারুরের কথাতেই স্পষ্ট, তিনি আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন।

Related articles

IPL: শুভমানের শতরানে ফাইনালে গুজরাট, রেকর্ড গড়েও ট্র্যাজিক নায়ক বৈভব

শুভমান গিলের দুরন্ত শতরান, রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে IPL ফাইনালে গুজরাট টাইটন্স (Gujarat Titans )। বৈভব সূর্যবংশী...

‘সুন্দরী’কে আর রিল বানাবে না সায়নী! উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ

ত্রিবেণীর (Triveni) পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ভ্লগার (Social Media Content Creator and Vlogger) পশপ্রেমী সায়নী চক্রবর্তীর...

সোমে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ: নজরে অর্থ ও স্বরাষ্ট্র দফতর

বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতা দখল করলেও রাজ্যে মন্ত্রিসভা গঠনে হিমসিম বিজেপির সরকার। মাত্র পাঁচ মন্ত্রী এখনও পর্যন্ত শপথ নিয়েছেন।...

আরজিকরের ঘটনার জের: চাকরি গেল চিকিৎসক বীরূপাক্ষ বিশ্বাসের

এবার চাকরি হারালেন আরজিকর কাণ্ডের পরে নানা অভিযোগে অভিযুক্ত সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক বীরূপাক্ষ বিশ্বাস (Birupaksha Biswas)। শুক্রবার রাজ্যের...