আইপ্যাক-ইডি মামলায় (IPAC -ED Case) ফের পিছিয়ে গেল সুপ্রিম শুনানি। বুধবার ইডির (ED)তরফে হলফনামা জমা দেওয়ার কথা ছিল। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta) জানান আজ তাঁরা শীর্ষ আদালতে কাউন্টার হলফনামা পেশ করবেন। তখন বিচারপতি জানতে চান অন্য কোনও দিন শুনানির জন্য ধার্য করা যেতে পারে। রাজ্য এবং এজেন্সি দুজনের তরফেই দোলের পরবর্তী দিন চাওয়া হয়। এরপরই আগামী ১৮ মার্চ শুনানির দিন ঘোষণা করেন বিচারপতি।

এদিন বিচারপতি পি কে মিশ্র এবং বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে ছিল শুনানি। রাজ্যের তরফে বলা হয় এজেন্সিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে কেন্দ্র। পাল্টা ইডির আইনজীবী বলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ভয় দেখানো হচ্ছে তাতে কাজের অসুবিধে হচ্ছে। এদিন প্রস্তুত করা হলেও সকাল পর্যন্ত অফিসিয়ালি তা দাখিল করা হয়নি। রিজয়েন্ডার ফাইল করতে কিছুটা সময় চেয়ে নেন তুষার মেহতা। এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) বলেন আর্টিকেল ৩২ ঠিকমতো মানা হয়নি। এভাবে কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে না বলে দাবি করেন তিনি। শুনানির পর বাইরে বেরিয়ে কল্যাণ জানান, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চে এই মামলার গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে একটি কেস চলছে। সেই অবস্থায় মেনটেনেবিলিটি নিয়ে আগামী ১৮ তারিখ রাজ্যের কথা শোনা হবে বলে এদিন সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে। ED-র কাছে যদি এই মামলার গুরুত্ব থাকতো তাহলে তারা কেন তৎপরতার সঙ্গে আজ হলফনামা জমা দিল না এ প্রশ্নও তুলেছেন সাংসদ আইনজীবী। এই নিয়ে শীর্ষ আদালতে মোট তিন বার আইপ্যাক-ইডি মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল।

–

–

–

–

–

–

–

–

