Site Logo

স্তনে হাত-পাজামার দড়িতে টান অবশ্যই ধর্ষণের চেষ্টা! এলাহাবাদ হাই কোর্টের রায় খারিজ শীর্ষ আদালতে

EBBS Desk·
স্তনে হাত-পাজামার দড়িতে টান অবশ্যই ধর্ষণের চেষ্টা! এলাহাবাদ হাই কোর্টের রায় খারিজ শীর্ষ আদালতে

বুকে হাত দিলে বা পাজামার দড়ি ধরে টানলে সেটা ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ (Attempt to rape) হিসাবে গণ্য হবে না, এমনটাই বিতর্কিত রায় দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। সেই বিতর্কিত রায় খারিজ করে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানিয়েছে, মহিলার বুকে হাত দেওয়া কিংবা পাজামার দড়ি খোলার চেষ্টা অবশ্যই ধর্ষণের চেষ্টা হিসাবে গণ্য করা হবে।

Sponsored

Sranchi In Article

এলাহাবাদ হাইকোর্টের অদ্ভুত নিদান খারিজ করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে জানায় দেশের বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সকলেরই যৌন অপরাধের মামলার বিষয়ে আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত। প্রয়োজনীয় প্রস্তাব দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানায় কিশোরীর বুকে হাত দিলে বা পাজামার দড়ি খোলার চেষ্টা করলে সেটা কোনমতেই ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা বলে গণ্য হবে না। দুই যুবকের বিরুদ্ধে ১১ বছরের এক নাবালিকাকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল। তাঁরা নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতিতার বুকে হাত দিয়েছিলেন এবং পাজামার দড়ি খোলার চেষ্টা করেছিলেন। নিম্ন আদালত পকসো আইনের ১৮ নম্বর (অপরাধের চেষ্টা) ধারার ৩৭৬ নম্বর উপধারা প্রয়োগ করে কিন্তু হাইকোর্ট অভিযুক্তদের ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪-বি (পোশাক খুলে ফেলার জন্য বলপ্রয়োগ) ধারায় বিচার করার নির্দেশ দেয়। পকসোর ৯ এবং ১০ ধারায় বিচার করার বিষয়টি সামনে আনে। আরও পড়ুন: সম্মতিমূলক সম্পর্ক ভেঙে গেলেই ধর্ষণের মামলা গ্রহণযোগ্য না, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

সেই সময়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি রামমনোহর নারায়ণ মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়েছিল, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে সেটাতে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলা প্রযোজ্য নয় তবে যৌন হেনস্থা বটেই। ধর্ষণের চেষ্টার মামলা দায়ের করতে গেলে ঘটনাটি ধর্ষণের চেষ্টা সরকারি আইনজীবীকে সেটা প্রমাণ করতে হবে। অপরাধ ঘটানোর প্রস্তুতি এবং প্রচেষ্টার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু তারপর থেকেই হাইকোর্টের এই রায় ঘিরে দেশজুড়েই বিতর্ক তৈরি হয়। গত মার্চ মাসে বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহের বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয় এই রায়ে ‘সম্পূর্ণ ভাবে সংবেদশীলতার অভাব’ রয়েছে। ‘উই দ্য উইমেন অফ ইন্ডিয়া’ নামে একটি সংগঠন হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করে এবং সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এই মামলার শুনানি করে। অন্যদিকে নির্যাতিতার মা হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন।

-

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →