সব পথ দিয়েই ঈশ্বর লাভের দীক্ষা দিয়েছেন তিনি, শিব জ্ঞানে জীবসেবার মন্ত্র দিয়ে গেছিলেন তাঁর ভক্তদের, তাইতো তিনি শুধু সাধক নন, স্বয়ং অবতার। তাই তিনি কোনও ‘স্বামী’ বা সন্ন্যাসী নন, স্বয়ং ‘ঠাকুর’। বেলুড় মঠের ঊষা কীর্তনে শুরু লক্ষ্মীবারের সকাল। আজ যে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ১৯১-তম আবির্ভাব তিথি পুজো, তাই ভোরের আলো ভালো করে ফোটার আগেই কীর্তন ও প্রভাত ফেরীর মাধ্যমে বেলুড় মঠে ঠাকুরের বন্দনা গীতি অনুষ্ঠানের সূচনা। বেলা বাড়তেই উপচে পড়া ভিড় রামকৃষ্ণ মঠ মিশনে। ফাল্গুনের শুক্লা দ্বিতীয়ায় যুগাবতারের আবির্ভাব লগ্নে পুজো কামারপুকুর মঠেও। রাত থাকতেই ঠাকুরের ভোগের আয়োজন। সকাল থেকেই ভক্ত সমাগমে মুখরিত গদাইয়ের জন্মভূমি।



আজ দিনভর বেলুড় মঠে একাধিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শ্রীরামকৃষ্ণ লীলা প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা চলেছে। বেলা ১১ টা থেকে শুরু হয়েছে ভক্তদের প্রসাদ বিতরণ। একই ছবি কাশীপুর উদ্যানবাটি ও বলরাম মন্দিরেও। এদিন সকালে শ্রীরামকৃষ্ণ পুঁথি পাঠ করেন স্বামী স্তবপ্রিয়ানন্দ মহারাজ। দুপুরে লোকনৃত্য ও যোগাসনের পাশাপাশি নাটক পরিবেশিত হবে। দিনভর শ্যামা সঙ্গীত, গীত আলেখ্য, পদাবলী কীর্তনের পাশাপাশি ভজন ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়েছে। আগামী রবিবার সাধারণ উৎসব পালিত হবে। ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে বিশেষ ভক্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ মার্চ। রামকৃষ্ণ মঠ রামকৃষ্ণ মিশনের (বেলুড় মঠ) অফিস থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। শুধুমাত্র ঠাকুর ভক্তরাই অংশ নিতে পারবেন বলে জানা গেছে।

–

–

–

–

–

–

–

–

