বিধানসভা ভোটের (Assembly Elections 2026) আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Voter List) প্রকাশের কথা। তার আগে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Benerjee)। বুধবার, ভবানীপুরের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এসআইআর চলছে। অনেকের ভোটাধিকার বাদ গিয়েছে। আমি দুঃখিত। প্রথমে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। তারপর লুকিয়ে লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসির নাম করে নাম বাদ দিচ্ছে। মৃত ভোটার ২০ লক্ষ ধরলে ১ কোটি ২০ লক্ষের নাম বাদ চলে যাবে।“

ভবানীপুরে জৈন সম্প্রদায়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একাধিক সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই SIR নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, “এসআইআর চলছে। অনেকের ভোটাধিকার বাদ গিয়েছে। আমি দুঃখিত। প্রথমে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। তারপর লুকিয়ে লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসির নাম করে নাম বাদ দিচ্ছে। মৃত ভোটার ২০ লক্ষ ধরলে ১ কোটি ২০ লক্ষের নাম বাদ চলে যাবে। আমি নিজে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করেছি। আমার পিটিশন এখনও স্থগিত।”

অপরিকল্পিত এসআইআর-এর জেরে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পর্যন্ত গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গে তুলে তিনি বলেন, “আদালত বলার পর ৪-৫ দিন কেটে গিয়েছে। এখনও কাজ শুরু হয়নি। আমি জানি না ২৮ তারিখ যখন তালিকা বেরবে তখন যাদের নাম আসবে না তাঁদের কতটা দুঃখ হবে আমার জানা নেই। আমি চাই কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়।” বাংলার সব বৈধ ভোটারদের পক্ষে সওয়াল করেন মমতা (Mamata Benerjee) বলেন, ”আমার জানার দরকাই নেই কে তৃণমূল, কে বিজেপি, কে সিপিএম, কে হিন্দু, কে মুসলিম, কে বৌদ্ধ, কে জৈন সেটা দেখি না। কিন্তু বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়া কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণতন্ত্র ধ্বংস যেন না হয়। সকলে অধিকার পাক। এটাই আমার দেখার।” মমতার কথায়, “কারও অধিকার ছিনিয়ে নেবেন না। সকলকে তাঁর অধিকার ফিরিয়ে দিন। নিজে বাঁচুন। সকলকে বাঁচতে দিন।”

সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশ মেনে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। যদিও অতিরিক্ত তালিকা পরে প্রকাশের সুযোগ থাকবে। কিন্তু কমিশনের বক্তব্য, ভোটের আগে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ বাধ্যতামূলক নয়। অর্থাৎ, চূড়ান্ত তালিকায় যাদের নাম থাকবে না, আপাতত তাঁদের ভোটাধিকার কার্যত স্থগিতই থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি এখানে ন্যায়ের জন্য প্রার্থনা করে যাচ্ছি, যদি সফল হই তাহলে এখানে এসে আবার মাথা ঠেকাব।“

–

–

–

–

–

–


