খুন করে গঙ্গা পার হয়ে লুকোচুরি খেলা। মূল খুনির সঙ্গেও একাধিক সহযোগীর যোগ। ফলে হাওড়ার গোলাবাড়ির (Golabari) প্রোমোটারের খুনের ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হল। নিহতের পরিবারের তরফে যেমন সিআইডি-র (CID) দাবি করা হয়েছিল, তেমনই হাওড়া পুলিশের (Howrah City Police) শীর্ষ কর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানার প্রোমোটার সোফিক খান খুন হন। স্থানীয় ও পরিচিত যুবক হারুন খানই খুনে মূল অভিযুক্ত। হাওড়া সিটি পুলিশ (Howrah City Police) সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোফিকের পরিবার সিটি পুলিশের পদস্থ কর্তাদের কাছে এই ঘটনায় সিআইডি (CID) তদন্তের দাবি তোলে। তাঁদের অনুরোধ মেনেই সিআইডি তদন্তের জন্য হাওড়া সিটি পুলিশের তরফে সিআইডিকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই মতোই শুক্রবারই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করছে সিআইডি।

সিসিটিভি ফুটেজ থাকার পরও এই হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হারুন খান ও রোহিত এখনও ফেরার। চারটি দল তৈরি করে তদন্ত চালাচ্ছিল হাওড়া সিটি পুলিশ। একটি দল ভিন রাজ্যে গেছে বলেও খবর। এর মাঝেই সোফিকের পরিবারের তরফ থেকে সিআইডির তদন্তের দাবি তোলা হয়। দ্রুত গোলাবাড়ি থানার তরফে কেস ডায়েরিও সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হবে। জানা যাচ্ছে, শনিবার সিআইডির আধিকারিকরা তদন্তভার নিজেদের হাতে তুলে নেবেন। নিহত সোফিকের পরিবারের অনুরোধ মেনেই সিআইডির আধিকারিকরা তদন্তে যাবেন।

আরও পড়ুন : ভোরের হাওড়ায় চলল গুলি: পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন প্রোমোটারকে

তদন্তে নেমে পুলিশ দুই মূল অভিযুক্ত বিশেষত হারুন ও তার দলবল সম্পর্কে নানারকম তথ্য পাচ্ছে। সেই সঙ্গে নিহত মহম্মদ সোফিকের সম্পর্কেও একাধিক তথ্য উঠে আসছে। সবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় কলকাতার জোড়াসাঁকো থেকে ধৃত ৩ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করছে পুলিশ। তারা মূলত অভিযুক্ত হারুণ ও রোহিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল, এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। খুনের আগে ও পরে তারা হারুণদের সঙ্গে দেখা করেছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

–

–

–

–

–

