প্রভূত নিরাপত্তা ও গোপণীয়তার মধ্যে থাকা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইকে এত সহজে কীভাবে মেরে ফেলল ইজরায়েল। বিশ্বজুড়ে যখন এই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন উত্তর হিসাবেও একাধিক তত্ত্ব উঠে আসছে। একদিকে যেমন মোসাদ ঘনিষ্ঠের সূত্রেই খামেনেইয়ের (Ali Khamenei) লোকেশন জানার দাবি করেছে ইজরায়েল, তখন এই তত্ত্বে যোগ হয়েছে একটি মার্কিন তত্ত্বও। যেখানে খামেনেইয়ের শরীরেই লোকেশন ট্র্যাকার (location tracker) যুক্ত করার তত্ত্ব রয়েছে। তার দাঁতে অথবা শরীরের ভিতরের গ্রন্থিতে সেই লোকেশন ট্র্যাকিং চিপ (location tracking chip) ঢুকিয়ে দেওয়ার তত্ত্বও উঠে এসেছে।

জানুয়ারি মাসে দেশজুড়ে প্রতিবাদে সামিল ইরানের (Iran) নাগরিকদের ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে তৎকালীন ইরান প্রশাসন। অবশ্যই তা হচ্ছিল খামেনেইয়ের নির্দেশে। সেই পরিস্থিতিতে নতুন দাঁতের (dentist) ও গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট (gastroenterologist) নিয়োগ করা হয় খামেনেইয়ের চিকিৎসায়। অবশ্যই এই চিকিৎসকরা মোসাদ ঘনিষ্ঠ ও নির্ভরশীল ছিল। তবে কিছু সূত্র বলছে, সেখানেই হয় গণ্ডগোল।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে এক দাঁতের চিকিৎসক (dentist) ও এক গ্যাস্ট্রোএন্ড্রোলজিস্টকে (gastroenterologist) মোসাদের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। তাদের আস্থা অর্জন করা হয়। এরপর তারা দায়িত্ব পান খামেনেইয়ের চিকিৎসার। দাঁতের অস্ত্রোপচার বা অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের সময় একটি লোকেশন ট্র্যাকার চিপ শরীরের এই দুটি অংশের কোনও একটিতে রেখে দেওয়া হয়।

পরবর্তীকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) খামেনেইয়ের মৃত্যুর আগে দাবি করেছিলেন খামেনেই অসুস্থ। ফলে দ্রুত তার সাম্রাজ্যের পতন হবে। সেই আত্মবিশ্বাসের কারণে এই চিপ তত্ত্ব অনেকেই বিশ্বাস করেন।

আরও পড়ুন : পাকিস্তানেও কী বড় যুদ্ধের আশঙ্কা! বড় নির্দেশিকা আমেরিকার

যদিও অন্য একটি মার্কিন যুক্তিবাদীরাই সেই তত্ত্ব খারিজ করছে। তাঁদের দাবি এরকম কোনও চিকিৎসকের দল আমেরিকা তৈরি করেনি গুপ্তভাবে খামেনেইয়ের লোকেশন বোঝার জন্য। এই হামলার পুরো কৃতিত্ব ইজরায়েল (Israel Defence Force) ও আমেরিকার যৌথ বাহিনীর (US Army)।

–

–

–

–



