রাজ্যের আদিবাসী ও জনজাতি উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘রিপোর্ট কার্ড’ পেশ করতে চেয়েও রাষ্ট্রপতির দেখা পেলেন না তৃণমূল সাংসদেরা। আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়েছিল তৃমমূল কংগ্রেস। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, সময়ের অভাবে আপাতত এই বৈঠক সম্ভব নয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তৃণমূলের প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। সূত্রের খবর, গত ৯ মার্চ রাষ্ট্রপতির সময় চেয়ে চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ ১২ থেকে ১৫ জন সাংসদ ও মন্ত্রীর ওই প্রতিনিধি দলে থাকার কথা ছিল। লক্ষ্য ছিল, গত ১৫ বছরে বাংলার আদিবাসী ও অনগ্রসর শ্রেণির উন্নয়নে রাজ্য সরকার কী কী কাজ করেছে, তার খতিয়ান রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেওয়া। সেই প্রতিনিধি দলে থাকার কথা তৃণমূল সাংসদ এবং মন্ত্রীদের। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

তিন দশকের বাম অপশাসনের অবসান ঘটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জনজাতি উন্নয়নকে ‘পাখির চোখ’ করেছেন। তাঁরই নির্দেশে আজ বাংলার প্রান্তিক মানুষ উন্নয়নের মূল স্রোতে সামিল হতে পেরেছেন। এত উন্নয়ন সত্ত্বেও সম্প্রতি বাংলা সফরে এসে রাষ্ট্রপতি যেভাবে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন, তাকে নজিরবিহীন বলে মনে করছে শাসকদল। তৃণমূলের স্পষ্ট তোপ, “দেশের প্রথম নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও কেন তিনি বিজেপির মুখপাত্রর মতো আচরণ করছেন? কেন তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে একটি শব্দও খরচ করলেন না?”

আরও পড়ুন- বিধানসভা ভোটে নজিরবিহীন নজরদারি: কয়েক গুণ বাড়ছে পর্যবেক্ষক, থাকছে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

_

_

_

_

_

_
_


