খোদ প্রধানমন্ত্রীর শহরে উপস্থিত থাকাকালীনই আক্রান্ত হলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। অভিযোগের তির বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। মন্ত্রীর বাসভবনে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি পুলিশ কর্মীদের ওপর ইটবৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, ব্রিগেডের সমাবেশ উপলক্ষে আসা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিবাদ শুরু হয়। মন্ত্রীর বাড়ির সামনে লাগানো ‘বয়কট বিজেপি’ ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পারদ চড়ে। অভিযোগ, সেই সময় অতর্কিতে চড়াও হয় উন্মত্ত জনতা। মন্ত্রীর বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বিজেপি কর্মীদের ছোঁড়া পাথরের আঘাতে জখম হন বৌবাজার ও বড়তলা থানার ওসি সহ চার পুলিশ কর্মী। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ।
এই নক্কারজনক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিজের এক্স (প্রাক্তন টুইটার) হ্যান্ডেলে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই হামলাকে ‘জঘন্য’ এবং ‘কাপুরুষোচিত’ বলে অভিহিত করেন। অভিষেক লেখেন, “আমাদের মন্ত্রী শশী পাঁজার ওপর এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বিজেপির গুন্ডারা দিনের আলোয় একজন মহিলা ক্যাবিনেট মন্ত্রীর ওপর হামলা চালানোর সাহস পেল। এটি কেবল শশী পাঁজার ওপর আক্রমণ নয়, এটি বাংলার প্রতিটি নারীর ওপর আক্রমণ।”
বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “২০১৯ সালেও আমরা একই ধরনের বর্বরতা দেখেছিলাম। এটাই বিজেপির সংস্কৃতি। এই বহিরাগত বিজেপি জমিদাররা বাংলার শান্তি নষ্ট করতে চায়। কিন্তু বাংলার মানুষ এই ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ বরদাস্ত করবে না।” আপাতত মন্ত্রীর বাড়ির সামনে কড়া পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লালবাজার। শহরের প্রাণকেন্দ্রে একজন মন্ত্রীর নিরাপত্তায় এমন বিঘ্ন ঘটার ঘটনায় প্রশাসনের অন্দরেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুন- ফের নাম-বিভ্রাট মোদির মুখে, রানি রাসমণিকে বললেন ‘রসমণি’, প্রতিবাদ তৃণমূলের
_
_
_

_
_

_
_



