কলকাতার আইপ্যাক (I-PAC)অফিসে ইডি হানা ঘিরে সুপ্রিম মামলায় বড় পর্যবেক্ষণ শীর্ষ আদালতের (Supreme Court)। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে এই মামলার শুনানিতে আরও স্পষ্ট হল রাজ্য- কেন্দ্র সংঘাত। রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে ইডির মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।তবে রাজ্যের তরফে করা স্থগিতের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত (IPAC Case Supreme Court)। দুই বিচারপতি জানিয়ে দেন, জানিয়ে দেন, ‘কোর্টকে আইনজীবীরা নির্দেশ দিতে পারেন না। বরং বেঞ্চই ঠিক করবে কীভাবে কোর্ট চলবে।’ পাশাপাশি এই ইডির তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ সুখকর নয় বলেও মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

এদিন শুনানিতে মেনকা গুরুস্বামী বলেন, মামলা করার অধিকার নেই এনফোর্সমেন্ট ডিরক্টোরেটের। রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, “ইডি কোনও কর্পোরেট সংস্থা নয়। তাদের মামলা করার অধিকার নেই। মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন থাকতে হবে। ইডির তো কোনও মৌলিক অধিকারই নেই, তাই তার লঙ্ঘনও হতে পারে না। ইডি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি অংশ। এখানে মামলা করেছেন ইডির ডিরেক্টরেট। ফলে আইনের মধ্যে থেকেই কোনও ডিরেক্টরেটকে মামলা করতে হবে।” এরপর বিচারপতি মিশ্র বলেন,রেকর্ডে যা আছে, সবই বিবেচনা করা হবে। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টকে নির্দেশ দিতে পারে না। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ED-র তদন্তে হস্তক্ষেপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করা কাম্য নয়। বিচারপতিরা বলেন, ‘এটা কোনওভাবেই কাঙ্খিত পরিস্থিতি নয়। ভবিষ্যতে অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি একই কাজ করেন, তখন কী হবে?এই ধরনের পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা যায় না।’ এদিন সুপ্রিম পর্যবেক্ষণে বলা হয় ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) তৈরি করা যেতে পারে।

–

–

–

–

–

–

–

–
