ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যে কোনও মুহূর্তে পারমাণবিক সংঘাত (India Pakistan Nuclear Conflict) তৈরি হতে পারে, সম্ভাবনার কথা দাবি মার্কিন রিপোর্টে। বুধবার আমেরিকার ‘ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স’-এর (Director of National Intelligence US) দফতর থেকে এমন তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও এ কথাও বলা হয়েছে যে এই মুহূর্তে নয়াদিল্লি বা ইসলামাবাদ কেউই যুদ্ধে জড়াতে চায় না। কিন্তু তাই বলে এমনটা নয় যে পরিস্থিতি একেবারে স্বাভাবিক রয়েছে।

মার্কিন সেনেটে যে ৩৪ পাতার রিপোর্ট জমা পড়েছে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই মুহূর্তে সরাসরি সংঘাত না হলেও সন্ত্রাসবাদকে কেন্দ্র করে দু’দেশের মধ্যে ফের দ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিতে পারে। মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড (US intelligence chief Tulsi Gabbard) জানিয়েছেন আমেরিকার কাছে পাকিস্তান একটা বড় হুমকি। কারণ পাকিস্তানের পারমানবিক অস্ত্র ভান্ডার মার্কিন মুলকের বড় অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ২০২৫ সালে পহেলগাম হামলায় (Pahelgam Attack) নিরীহ পর্যটকদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ‘অপারেশন সিন্দুর’ চালায় ভারত। দু’দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের (Donald Trump) হস্তক্ষেপে সমঝোতা হয় বলে বারবার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ঠিক ভারত যখন পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রায় দখলের পথে তখনই নিজেকে বিশ্বগুরু বলে দাবি করা নরেন্দ্র মোদি মাথা নিচু করে মেনে নিয়েছেন আমেরিকার তরফ থেকে আসা যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব। ভারতীয় সেনা থেকে দেশের আপামর জনতা বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখেনি। এবার সেই আমেরিকার রিপোর্ট এই যখন বলা হচ্ছে যে দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক সংঘাত পরিস্থিতি এখনও রয়েছে এবং সেটা যে কোনও মুহূর্তে বড় আকার নিতে পারে, তখন কূটনৈতিক মহলে কেন্দ্রের বিদেশ নীতি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

–

–

–

–

–

–

–

–
