দুয়ারে আইপিএল(IPL)। সব দলই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জোর কদমে। বাংলার ক্রীড়া প্রেমীদের নজরে কেকেআর (KKR)। নতুন মরশুমে এক ঝাঁক নতুন ক্রিকেটারকে দলে নিয়েছে কেকেআর (KKR)। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কেকেআর (KKR) শিবিরের চিন্তা একাধিক ক্রিকেটারের চোট। নাইটদের শক্তি-দুর্বলতার চিত্রই তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

নাইটদের শক্তি মূলত ব্যাটিং এবং স্পিন বিভাগেই। দলে রাচিন রবীন্দ্র,ফিন অ্যালেন, শেইফার্ট, রাহানের মতো ব্যাটার যেমন আছেন তেমনই রিঙ্কুর, রমনদীপ, গ্রিনের মতো লোয়ার অর্ডারে ব্যাটার আছেন যাারা ঝড়ো ইনিংস খেলতে পারেন। এবার রাসলের মতো বিগ হিটার নেই ফলে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে গ্রিনকে।

এবার বেশ কিছু অনামী তরুণ তুর্কিদের দলে নিয়েছে কেকেআর। তার মধ্যে আছেন দক্ষ কামরা, সার্থক দাহিয়া, যারা ঘরোয়া টি২০তে ভালো খেলেছেন। ফলে অনামীরা তুরুপের তাস হতে পারেন।

নাইটদের শক্তি রয়েছে স্পিন অ্যাটাকে। বরুণ চক্রবর্তী সঙ্গে অভিজ্ঞ সুনীল নারিন,ফলে প্রতিপক্ষ দলকে নাইটদের স্পিনের রহস্য ভেস করা কঠিন হবে। পাশাপাশি ডাগ আউট বেশ শক্তিশালী। নায়ারের মতো কোচ সঙ্গে ব্রাভো, ওয়াটসন, রাসেলের মতো সহকারীরা।

নাইটরা নিলামে বেশ ব্যালেন্স দল গড়েছিল। রাচিন রবীন্দ্র, শেইফার্ট, টিম সাউদি, ক্যামেরন গ্রিন, পাথিরানা, মুস্তাফিজুর রহমানের মতো তারকা বিদেশিদের নিয়েম চমক দিয়েছিল। কিন্ত মুস্তাফিজুরকে আগেই ছাড়তে হয়। তার উপর চিন্তা বাড়িয়েছেন পাথিরানা। আইপিএলের প্রথম দিকে কয়েকটি ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না।

দেশীয় বোলারদের মধ্যে হর্ষিত রানা, আকাশ দীপের মতো দুই পেসারই অনিশ্চিত গোটা টুর্নামেন্টে। ফলে নাইটদের পেস বোলিং বিভাগ শুরুতেই কমজরি হয়ে পড়েছে। তার উপর ছন্দে নেই বরুণ চক্রবর্তীও। তাই সুনীল নারিন, উমরান মালিক, বৈভব আরোরাদের উপরে বাড়তি চাপ থাকবে।

অতিরিক্ত বিদেশি নির্ভরতা সমস্যায় ফেলতে পারে কেকেআরকে। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম একাদশে মাত্র চারজন বিদেশি ক্রিকেটারই খেলতে পারেন। তাই অনেক ক্ষেত্রেই কাকে খেলানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়ে দল। খাতায়-কলমে কলকাতা নাইট রাইডার্স শক্তিশালী হলেও ওপেনিং জুটি ঠিক না থাকায় বাড়তে পারে সমস্যা।

রাহানে এবারও নেতৃত্বের দায়িত্বে। কিন্তু তাঁর বয়স এবং পারফরম্যান্স কোনটাই টি২০ বা আইপিএলের সঙ্গে মানানসই নয়।

–

–
–
–
