হাতে মাত্র ২৯ দিন। এখনও ৩১ লক্ষের বেশি ভোটারদের নাম ‘বিচারাধীন’। এত কম সময়ে কীভাবে এত বেশি নামের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব? এই নিয়ে মঙ্গলবার SIR মামলার শুনানিতে প্রশ্ন তুললেন খোদ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। এদিন বিচারপতি মন্তব্য করেন, “কমিশনকে বলব, যাতে ধাপে ধাপে কাজ শেষ করা যায়, সে জন্য হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর দলকে সাহায্য করতে। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে আমরা নিশ্চিত করব, গণতান্ত্রিক অধিকার যেন সুনিশ্চিত করা যায়। ভোটারদের অধিকার যেন সুরক্ষিত থাকে। ওয়েস্ট বেঙ্গল জুডিসিয়াল সার্ভিসের সাহায্য নেওয়া যাবে।” এদিন আদালতে রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ভোটার তালিকা ফ্রিজিং-এর ব্যাপারে সময় চাইলে তা ‘বিবেচনা’ করা হবে বলে জানান বিচারপতি। আরও পড়ুন: পরকীয়ার জের! পার্লারে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী কাশ্মীরী যুবক

ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সোমবার মধ্যরাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে ২৯ লক্ষ নামের ‘বিচারাধীন ‘ সমস্যা সমাধান করে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। তাহলে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে অল্পদিনের মধ্যে এত মানুষের ভোটার তালিকায় নাম বিচার কীভাবে করা সম্ভব। যারা শেষ পর্যন্ত বাদ পড়বেন তাঁরাই বা কবে নাম তুলতে পারবেন? মঙ্গলবার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত সমস্যার সমাধান করার কথা জানান বিচারপতি। সে জন্য হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর দলকে সাহায্য করার কথাও জানান।

রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এদিন আদালতে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের কথা জানানো হলেও সব তালিকা এখনও পর্যন্ত ডাউনলোড করা যাচ্ছে না। তার উত্তরে যদিও বিচারপতি বাগচী জানান, কিছু সমস্যা হয়তো হচ্ছে। তবে পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের দ্রুত এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বরাবর সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন যে কেন্দ্রের অঙ্গুলি হেলনে নির্বাচনমুখী সমস্ত রাজ্য বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ‘নাম বাদ দেওয়ার’ খেলা খেলেছে তা কার্যত প্রমানিত।

–

–

–

–

