রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অনুমতি ছাড়া কমিশনের দফতরের দ্বিতীয় তলাতেও ঢুকতে পারবেন না সাংবাদিকরা। চরম গোপণীয়তার নিদর্শন রেখে এবার নতুন বিজ্ঞপ্তি রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের (Manoj Agarwal, CEO) দফতরের। নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হওয়ায় একাধিক নিয়ম গোটা রাজ্যে লাগু করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। যার সবটাই প্রায় আগে থেকে নির্ধারিত নিয়ম। কিন্তু প্রথমবার সিইও দফতরে (CEO office) প্রবেশে বিধিনিষেধ লাগু হল সংবাদ মাধ্যমের (media) উপর।

সিইও মনোজ আগরওয়ালের দফতেরর তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে এখন থেকে শিপিং কর্পোরেশনের যে বিল্ডিংয়ে সিইও দফতর (CEO Office) পরিচালিত হবে, সেখানে দ্বিতীয় তলে ডাকা হবে সংবাদ মাধ্যমকে (media)। ডাকা না হলে কেউ সেখানে যেতে পারবেন না। ৪টের সময় সাংবাদিক বৈঠকের সময়ে ডাকার কথা বলা হয়েছে। এই ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলে নির্বাচন কমিশনের দফতরে সোমবার থেকে স্থানান্তরিত হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখলেও নির্বাচন কমিশন যে বিজেপির সঙ্গে সখ্যতা একই রকম বজায় রাখছে ফের একবার প্রমাণ দিল কমিশন। একদিকে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে রাজ্যের আধিকারিকদের প্রতিস্থাপন করছে কমিশন। আবার নির্বাচন কমিশনের কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মী (contractual worker) নিয়ে বিজেপি অভিযোগ জানালে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপও নিচ্ছে। নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত জেলার জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের সতর্ক করা হল কোনও অবস্থাতেই চুক্তিভিত্তিক কর্মী বা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভোটের দায়িত্বে রাখা যাবে না।

আরও পড়ুন : ভোটের ডিউটির জন্য ২৪ জনকে চিঠি, নিয়োগ থমকে যাওয়ার আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ SSC

নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের দায়িত্ব জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের ওপর বর্তায়। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রিসাইডিং অফিসার (Presiding officer) কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হতে হবে। তা নাহলে অন্তত ফার্স্ট পোলিং অফিসার (first polling officer) কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হতে হবে। এই ধরনের কোনও পদে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা যাবে না। প্রতিটি জেলাকে আলাদা তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে এবং লিখিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে যে ভোটকর্মীদের ডাটাবেসে (database) কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মীর নাম নেই।

–

–

–

–

–
