পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে জ্বালানি সংকটে গোটা বিশ্ব। ভারতে তার প্রভাব নিয়ে সংসদে বক্তৃতা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সংকট মোকাবিলায় এবার সর্বদল বৈঠক (all party meeting) ডেকেছেন তিনি। যদিও সেই সর্বদল বৈঠকে জ্বালানি সংকট (fuel cirsis) মেটানো নিয়ে কেন্দ্রের সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে কার্যত কোনও সমাধান মেলেনি। যে স্বৈরাচারী মনোভাব সংসদে প্রকাশ করার কারণে বুধবারের সর্বদল বৈঠকে যোগ দিল না তৃণমূল কংগ্রেস।

যুদ্ধের (West Asia crisis) কারণে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকা হলেও আদতে সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা কেন্দ্র সরকার এতদিন পর্যন্ত কি কি করেছে, অথবা ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের কোথায় পার্থক্য – এইসব তথ্য তুলে ধরা হয়। কার্যত সমস্যার আলোচনাতে নজরই ছিল না বৈঠকে উপস্থিত বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি, সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর।

পাল্টা বিরোধীদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, যুদ্ধের আবহে কেন ইজরাইল সফর করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কেন ইরানের ধর্মীয় নেতার মৃত্যুর পরই ভারতের তরফ থেকে কোনও তিরষ্কার করা হয়নি। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তোলা হয়, পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধে (West Asia crisis) ভারতের অর্থনীতির উপর ঠিক কতটা প্রভাব পড়তে চলেছে। তবে মোদি সরকারের নীরবতায় নিষ্ফলাই থেকে যায় বৈঠক।

আরও পড়ুন : হরমুজ পেরোতে পারল না পাকিস্তানের জাহাজ: শান্তির বার্তা দিয়েও ব্যর্থ শাহবাজ!

অন্যদিকে বুধবারই উত্তর ভারতের একাধিক বড় শহরে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। দেশের জ্বালানি সংকটের আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে পেট্রোল ডিজেল মজুত করতে দেখা যায়। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। সেই সঙ্গে কেন্দ্রের সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

–

–

–

–

–
