রাজ্যের পুলিশে রদবদল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের পরও বাহিনী যেন কম পড়ছে নির্বাচন কমিশনের। যে সব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাহিনী কাজে লাগানো আছে, এবার তা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল কমিশন (Election Commission)। এবার যে সব নেতা বা রাজনৈতিক কর্মী, মন্ত্রীদের নিরাপত্তা রয়েছে, সেখানে রাশ টানা শুরু।

রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের জন্য নিরাপত্তা পুণর্বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তা প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা (criminal case) রয়েছে বা যাঁরা জামিনে (bail) বা প্যারোলে (parole) রয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একইসঙ্গে যাঁদের ক্ষেত্রে পদমর্যাদা বা প্রকৃত হুমকির ভিত্তিতে নিরাপত্তা প্রাপ্য নয়, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই সুরক্ষা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : ভুয়ো খবর-প্রোপাগান্ডা বন্ধে মিডিয়া মনিটরিং সেন্টার চালু করছে কমিশন

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র ও পুলিশ জেলার ভিত্তিতে বর্তমানে কারা নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তাঁদের নাম ও পদবিসহ বিস্তারিত তালিকা দ্রুত পাঠাতে হবে। এই তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়ার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, রাজ্যের পুলিশ নোডাল অফিসারকে (এসপিএনও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্ট আগামীকাল দুপুরের মধ্যে জমা দিতে।

–

–

–

–

–
–
