একদিকে মার্কিন রাষ্ট্রপতি গরম গরম হুমকি দিচ্ছেন ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার। অন্যদিকে মার্কিন মন্ত্রীরা বারবার দাবি করছেন সন্ধির পথ খোলা। হরমুজ খোলার পথ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। তবে মঙ্গলবার ভারতীয় সময় ভোর রাত থেকে পশ্চিম এশিয়ার (West Asia) নতুন করে মৃত্যু মিছিল শুরু হতে চলেছে তা টের পাচ্ছে দুপক্ষই। তার জেরেই এবার যে সব লক্ষ্যবস্তু আমেরিকা (USA) বেছে নিয়েছে, তাতে আঘাত করলে আমেরিকার কী কী ক্ষতি হবে, তার তথ্য পেশ করল ইরান (Iran)।

মার্কিন সংবাদ সংস্থা তথা হোয়াইট হাউসের নিকট সংবাদ মাধ্যমের দাবি মার্কিন সময় সন্ধ্যা ৮টা, ভারতীয় সময় বুধবার ভোর ৫টা থেকে ইরানের (Iran) উপর আঘাত করা শুরু করবে আমেরিকা (USA)। ইতিমধ্যেই ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলার দাবিও করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের তরফে। অন্যদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) দাবি করেছেন, ইতিমধ্যেই ইজরায়েল ইরানের রেলপথ ও সেতুতে আঘাত করা শুরু করে দিয়েছে। তবে কোনওভাবেই যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হবে না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স (J D Vance)।

মার্কিন হুমকির পাল্টা ইরান রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) তরফ থেকে দাবি করা হয় ইরানের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, পারমাণবিক কেন্দ্র বা তথ্য প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলিতে আমেরিকা হামলা চালালে তা হবে আত্মঘাতী হামলার সামিল। তথ্য পেশ করা দাবি করা হয়, পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে এই ধরনের ক্ষেত্রগুলিতে মার্কিন বিনিয়োগ রয়েছে। তার মধ্যে আরব আমিরশাহীর (UAE) একটি কেন্দ্রের উল্লেখ করা হয়। আরও যে সব দেশে যে সব মার্কিন সংস্থার বিনিয়োগ রয়েছে সবই ইরানের টার্গেটে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। ইরানের উপর আঘাত হলে এই সব কেন্দ্রে তারাও হামলা চালাবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : আজ রাতে একটা সভ্যতা ধ্বংস হবে: সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বার্তা ট্রাম্পের!

ইতিমধ্যেই কাতারের (Qatar) তরফ থেকে বিদেশমন্ত্রী দাবি করেছেন, খুব তাড়াতাড়ি এমন এক যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হবে যা নিয়ন্ত্রণ করা কারো পক্ষে সম্ভব হবে না। কাতার ইতিমধ্যেই এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

–

–

–

–
–
