ভোটাধিকার রক্ষার তাগিদে নাগরিক মিছিল দেশবাঁচাও গণমঞ্চের

Date:

Share post:

ফের সাম্প্রদায়িকতা ও ভোটাধিকার রক্ষার স্বার্থে পথে নামলো দেশবাঁচাও গণমঞ্চ। ধর্মের নামে ভোট চাইতে আসা বিজেপি ও আরএসএসকে একটিও ভোট নয়- দাবি তুলে রবিবার দুপুরে নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশন থেকে ভবানীপুর মিছিল ও নাগরিক সভা করে তাঁরা। জনসাধারণের এই মহামিছিলের লক্ষ্য ছিল বিজেপির সাম্প্রদায়িকতা, বিজেপির অঙ্গুলীহেলনে পরিচালিত নির্বাচন কমিশনের ‘SIR’ নামক চক্রান্ত এবং সেই চক্রান্তে ৯২ লক্ষ বাংলার মানুষের নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। গণউদ্যোগে আয়োজিত এই মহামিছিলে দল, ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নাগরিকরা এসে একত্রিত হয়েছিলেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জগতের মানুষেরা। উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী, অভিনেত্রী অনামিকা সাহা, প্রবীণ রাজনীতিক অনুরাধা দেব পূততুণ্ড, প্রবীণ বামপন্থী নেতা বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, প্রবীণ সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত, সমাজকর্মী সুজাত ভদ্র, অভিনেত্রী ও পরিচালক সুদেষ্ণা রায়, অধ্যাপিকা সৈয়দ তানভীর নাসরীন, সঙ্গীত শিল্পী শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়, সঙ্গীত শিল্পী সৈকত মিত্র, বাচিক শিল্পী সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা অর্ণব ব্যানার্জী, অভিনেত্রী ময়না ব্যানার্জী, অভিনেতা রাহুল বর্মণ, অভিনেতা সোহেল দত্ত, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী দেবজ্যোতি বসু, আইনজীবী সৌরভ চন্দ্র, বাচিক শিল্পী শোভনসুন্দর বসু, সমাজকর্মী প্রিয়জিৎ মিত্র, সঙ্গীত শিল্পী নাজমুল হক, অভিনেত্রী সোমা চক্রবর্তী, সাংবাদিক পার্থসারথি গুহ, সঙ্গীত শিল্পী অমিত কালী, বাচিক শিল্পী শিপ্রা কর্মকার, চিত্রা বসু, কেয়া রায়, সমাজকর্মী ইন্দ্রজিৎ মজুমদার, চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস, চিকিৎসক সিদ্ধার্থ গুপ্ত, সমাজকর্মী কল্যাণ সেনগুপ্ত, সমাজকর্মী প্রদীপ্ত গুহ ঠাকুরতা, সমাজকর্মী বর্ণালী মুখোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, অরিজিৎ বিষ্ণু, গুরুপ্রসাদ কর, সমাজকর্মী অভিজিৎ কুণ্ডু, সমাজকর্মী আজাদ মুসাফির, অধ্যাপক দীপঙ্কর দে, অভিনেতা রাহুল চক্রবর্তী, তথ্যচিত্র পরিচালক সুশান রায়, আইনজীবী অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা পাপা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক সুমন ভট্টাচার্য প্রমুখ। আরও পড়ুন: গণনা কেন্দ্রে লোডশেডিং হবে না: প্রচারে জনসুনামি থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

রবিবার এই নাগরিক মিছিলে পার্থসারথি গুহ এবং ইমতিয়াজ আহমেদরা স্লোগান তোলেন, “বাংলার বুকে এই বিজেপি আর নয়”, ” সাম্প্রদায়িক বিজেপির কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও”। এদিন জনপ্রতিনিধিরা মনে করান, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি, রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি বিভিন্ন বাহানা সামনে এনে অন্যায়ভাবে বাংলার ৯২ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মুসলিম এবং মহিলা নাগরিকদের নিশানা করে করে বাদ দিয়েছে। বাদ গেছে বহু হিন্দুদের নামও। পরবর্তীকালে অমিত শাহ বা জ্ঞানেশ কুমারকে তালিকায় রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী কতজন আছেন জানতে চাইলে সদুত্তর পাওয়া যায়নি। সুতরাং, বিজেপি যাতে বাংলা এবং বাংলার মানুষের আর ক্ষতি করতে না পারে, তাই বাংলা থেকে বিজেপিকে উপড়ে ফেলার ডাক দিয়েছে দেশবাঁচাও গণমঞ্চ।

spot_img

Related articles

ISL:  থেকেও দুরন্ত জয়, লিগের লড়াইয়ে ফিরল বাগান

তিন ম্যাচ পর জয়ের সরণিতে মোহনবাগান(Mohun bagan)। রবিবার যুবভারতীতে জয়ে ফিরল মোহনবাগান(Mohun bagan)। পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে...

কেশপুরই হবে বিজেপির শেষপুর! ভোটে জয়ের লক্ষ্য বেঁধে কেশপুরে হুঙ্কার অভিষেকের 

রবিবাসরীয় প্রচারে হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরে সভা ও রোড-শোয়ের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমজমাট জনসভা। কেশপুরের...

SIR শুনানির আগের ভোটদানের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় সুপ্রিম কোর্টের

বাংলায় এসআইআর করে যেভাবে ন্যায্য ভোটারদের ভোটদানের অধিকার হরণ করার খেলা খেলছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI), তার প্রতিবাদ...

গান্ধীজিকে ‘দেশদ্রোহী’ তকমা! ধূপগুড়িতে নির্বাচনী সভায় দাঁড়িয়ে চরম ঔদ্ধত্য বিজেপি প্রার্থীর

ভোটের ময়দানে হার-জিতের লড়াই থাকেই, কিন্তু  জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে স্রেফ রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে প্রকাশ্যে ‘দেশদ্রোহী’ বলে দাগিয়ে...