রবিবাসরীয় প্রচারে হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরে সভা ও রোড-শোয়ের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমজমাট জনসভা। কেশপুরের তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহার সমর্থনে আনন্দপুরের মাঠের সভা থেকে বাম আমলের রক্তাক্ত সন্ত্রাসের কথা মনে করিয়ে জয়ের জন্য ১ লক্ষের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

বাম-রাম আঁতাঁতকে একযোগে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, সিপিএমের হার্মাদরা আবার বিজেপির জার্সি পরে কেশপুরের মাটিকে অশান্ত করতে চাইছে! কিন্তু আমার বিশ্বাস, যতদিন কেশপুর আছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বাম-রামের কোনও জল্লাদ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্লোগান দিয়েছিলেন, এই কেশপুর সিপিএমের শেষপুর। এখন আমি বলছি, এই কেশপুর বিজেপিরও শেষপুর হবে! এক লক্ষ ভোটে কেশপুরে জিতবে তৃণমূল কংগ্রেস!

এদিন কেশপুরের সভা থেকে বাম সন্ত্রাসের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে অভিষেক বলেন, সিপিএমের আমলে বাম হার্মাদদের সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর ছিল এই কেশপুর। বাম জমানায় এই কেশপুরে খুন, গুন্ডামি ও বিরোধীদের উপর লাগাতার অত্যাচারের নেতৃত্বে ছিলেন তরুণ রায়, ইমতিয়াজ আলি। প্রশাসন বলে কিছু ছিল না। সিপিএমের পার্টি অফিস জামশেদ আলি ভবন থেকে কেশপুরের ১৫টি অঞ্চল চালানো হত। সিপিএমের অন্যতম নেতা, তন্ময় ঘোষ এখন বিজেপির নেতা। তাঁর ভাই সুবীর ঘোষ, বিজেপির নেতা। জার্সিটা পাল্টে বাম থেকে রাম হয়েছে। মদটা একই, বোতলটা আলাদা। যেভাবে ২০২৪ সালে কেশপুরের মানুষ এদের পুঁতে দিয়েছিল, আগামী ২৩ তারিখেও যেন তার ব্যতিক্রম না হয়! কেশপুরের মাটিতে ১ লক্ষ ভোটে তৃণমূলকে জেতাতে হবে!

আরও পড়ুন – SIR শুনানির আগের ভোটদানের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় সুপ্রিম কোর্টের

_

_

_

_

_
_
_

