ষড়যন্ত্র করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি। কিন্তু হিম্মত থাকলে ২০২৪-এর ভোটার তালিকায় ভোট করে দেখাক! বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রীর সাফ কথা, এই তালিকায় ভোট করিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন মোদি। তালিকায় অনুপ্রবেশকারী থাকলে ইস্তফা দিন তিনি। দুর্গাপুরে নির্বাচনী প্রচারে এসে বিজেপিকে একের পর এক ইস্যুতে নিশানা করলেন দলনেত্রী। এসআইআরের নামে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাভাষী, হিন্দু এবং মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলে তিনি সরব হন। কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে বলেন, এটা নির্বাচন হচ্ছে না নির্বাচনের নামে প্রহসন? তার পরেও আমাকে দৌড়তে হচ্ছে ‘ভোট দাও-ভোট দাও’ বলে।

দুর্গাপুরের মঞ্চ থেকে একের পর এক ইস্যুতে কেন্দ্রকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে থাকেন নেত্রী। তিনি বলেন, ভোটের দিন বিজেপির লোকেরা ইলেকশন কমিশনের লোক সেজে মনিটরিং সেলে বসে থাকবে। দালালগুলো! অত্যাচারীগুলো! যাদের নিজের চরিত্রের ঠিক নেই, তারা অন্যের চরিত্রের কথা বলে! এই করে ভোটে জিতবেন? তা হলে আমাকে জেলে পাঠিয়ে দিন না। জেলে বসে আমি আরও বেশি ভোটে জিতব। আর না হলে আমাকে গুলি করে মেরে দিন। আমার উপর এত রাগ কেন?

সতর্ক করে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২ লক্ষ পুলিশ নিয়ে আসছে দিল্লি থেকে। কেউ ভয় পাবেন না। এজেন্টরা শক্ত থাকবেন। কেউ বিজেপিকে ভোট দেবেন না। আমি মানুষকে চিনি। প্রধানমন্ত্রীর মিটিংয়ে বাইরে থেকে ট্রেনে করে লোক আনে। ৫০০ টাকা দিয়ে। আমাকে বাইরে থেকে লোক আনতে হয় না। আমায় ভালবেসে মানুষ আসেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, মাথায় রেখো বিজেপি এবং তার তোতাপাখি, বাংলাকে নিয়ে খেলতে এসো না। বড্ড বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। অতি বাড় বেড়ো না, ঝড়ে পড়ে যাবে। বিজেপিকে বিশ্বাস করবেন না।

আরও পড়ুন- কয়লা-কাণ্ডে জালে আইপ্যাক কর্তা: দিল্লি থেকে গ্রেফতার ভিনেশ

_

_

_

_
_
_

