বিতর্কের রেশ যেন কিছুতেই কাটছে না ইস্টবেঙ্গল-বেঙ্গালুরু ম্যাচে। রেফারিং নিয়ে আগুনে বিতর্কের মধ্যেই জড়িয়ে গেল মোহনবাগানও(Mohun Bagan)। সৌজন্যে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের একটি ব্যানার, যার তীব্র নিন্দা করে সমালোচনায় সরব হলেন মোহনবাগান(Mohun Bagan) সভাপতি দেবাশিস দত্ত(Debasish Dutta)।

জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষে পুলিশ ও সমর্থকদের হাতে প্রহৃত হন কয়েকজন মোহনবাগান সমর্থক। এই নিন্দনীয় ঘটনার হোতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে একটি টিফো (Well Done Jamshedpur Police) প্রদর্শন করেন লাল হলুদ সমর্থকরা।ইস্টবেঙ্গল গ্যালারির ব্যানারের নিন্দায় মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবশিস দত্ত লেখেন, মাঠের লড়াই কি আমাদের জাত্যাভিমানকেও হারিয়ে দিল? এক হাতে মোহনবাগান, অন্য হাতে ইস্টবেঙ্গল—এই দুই স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বাংলার ফুটবল আবেগ। কিন্তু আজ সেই আবেগ কি দিকভ্রান্ত?

এখানেই না থেকে ডিডি আক লেখেন, কিছুদিন আগে জামশেদপুরে আইএসএলের ম্যাচ দেখতে গিয়ে আমাদেরই সমর্থক আমাদেরই ঘরের ছেলে মোহনবাগান সমর্থকরা আক্রান্ত হলেন। কারো মাথা ফাটলো, কারো পড়লো ১০টি সেলাই। সেই রক্ত কোনো নির্দিষ্ট ক্লাবের নয়, সেই রক্ত ছিল একজন বাঙালির। ভিনরাজ্যে গিয়ে যখন নিজের রাজ্যের মানুষ লাঞ্ছিত হয়, তখন সেটা গোটা বাংলার অপমান। ব্যানারের ওই ভাষা কি শুধু মোহনবাগানকে বিঁধল? না, ওই ভাষা অপমান করল ফুটবলকে, অপমান করল বাংলার চিরকালীন সংহতিকে।

গতকাল ইস্টবেঙ্গল গ্যালারির এক ব্যানারের নিন্দায় সরব ফুটবলার প্রবীর দাস।সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্তের পোস্ট, শেয়ার করেন বাগান সচিব সৃঞ্জয় বোসও। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে গুয়াহাটিতে নর্থ ইস্টের বিরুদ্ধে ম্যাচে গ্যালারির একটি নির্দিষ্ট অংশ সমর্থকদের জন্য সীমাবদ্ধ করে দিল মোহনবাগান।

এদিকে, বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মিগুয়েল ফিগুয়েরার বিতর্কিত লাল কার্ডের শাস্তি কমানোর জন্য সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছে সরকারিভাবে আপিল করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল এফসি।

–

–
–
–
–
