ডিলিমিটেশন বিলকে মহিলা বিলের সঙ্গে জুড়ে মানুষকে বোকা বানানোর বিজেপির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে। সংসদে তৃণমূল-সহ বিরোধীদের কাছে গোহারা হেরেছে বিজেপি। এই হার লুকাতে পারছে না বিজেপি। আর হেরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এখন মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য নিয়ে তাঁকে কড়া জবাব দিল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের তরফে মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা ও দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র, প্রতিমা মণ্ডলরা এই নিয়ে সরব হন।

শশী বলেন, বিজেপি সংসদের এই হার এখন লুকাতে পারছে না। আর প্রধানমন্ত্রী এখন, মহিলাদের সম্মান, মহিলাদের উন্নয়ন, নারীশক্তি নিয়ে এত কথা বলছেন। কে বলছেন, নরেন্দ্র মোদি, আপনি ভুলে গিয়েছেন, একুশের নির্বাচনী প্রচারে এসে আপনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে কীভাবে সম্বোধন করেছিলেন? এখন আপনাদের থেকে আমাদের শিখতে হবে মহিলাদের কীভাবে সম্মান জানাতে হয়! কিন্তু আমাদের নেত্রী, আমাদের দল এসব অনেক আগেই করে দেখিয়েছি। দল আমাদের তিনজনকে দায়িত্ব দিয়েছে, কোন সংরক্ষণ লেগেছে। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে আমাদের মহিলা সাংসদই সবচেয়ে বেশি। আর এখন আপনি বলছেন, আমরা নাকি মহিলা বিরোধী। আপনি প্রচারে এসে এসব বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। ধমকাচ্ছেন। এর জবাব আপনি ৪ মে পেয়ে যাবেন।
মহুয়া মৈত্র বলেন, সংসদে হারের পর প্রধানমন্ত্রী কান্নাকাটি করছেন, অন্য দলগুলিকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করছেন। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই নারী সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন বিলের কোনও সম্পর্ক নেই। ওরা এখন বলছে, ওরা নারীদের কথা নাকি ভাবে? এটাই তার নমুনা! যে বিলটি তিন বছর আগে পাশ হয়ে গিয়েছে এতদিন লাগল সেটা চালু করতে। এখন মহিলাদের নিয়ে ওদের থেকে কোনও উপদেশ শুনব না। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মিথ্যে কথা বলেছেন। আমরা ধরে ফেলেছি।

প্রতিমা মণ্ডল বলেন, আমাদের মতো তফসিলি পরিবারের একজন মহিলাকে সংসদে পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জন্য আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের নেত্রী ও আমাদের দল এখনও পর্যন্ত লোকসভা বলুন রাজ্যসভা বলুন, সব জায়গাতেই একাধিক তফসিলি প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠিয়েছেন। এটা একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই পারে।

আরও পড়ুন – IPL: রিঙ্কুর ব্যাটে চাপমুক্তি, বৈভবদের বিরুদ্ধে প্রথম জয় হাসিল কেকেআরের

_

_

_
_
_
_
