“হলদিয়া থেকে টাকা কোথায় যায় সব আমি জানি। অনেক কেলেঙ্কারি করেছ। হলদিয়া থেকে কত ট্রাক যায়? সেই ট্রাকের কাটমানি কে খায়? তাদের থেকে মাসে মাসে টাকা কে তোলে? সব জানি আমি।” হলদিয়ার সভা থেকে দাঁড়িয়ে নাম না করে গদ্দার অধিকারীর পরিবারকে হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। অধিকার পরিবারের দুর্নীতির যাবতীয় খবর যে তাঁর কাছে আছে সেই বিষয়টি আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিলেন নেত্রী। অতএব বেশি বাড়াবাড়ি করলে তিনি যে ভদ্রতার খাতিরে আর চুপ থাকবেন না সে কথাও স্পষ্ট করলেন। এদিন দলনেত্রী বলেন, “হলদিয়া থেকে টাকা কোথায় যায় সব আমি জানি। এখানেই থামেননি তিনি। গোটা অধিকারী পরিবারকেই নিশানা করেন বলেন, আমি অনেক দিয়েছি এই পরিবারকে। আর পারব না দিতে।
আমি গোটা রাজ্যে নজর রাখি। স্বাভাবিকভাবেই হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে কী হয় তাও জানি। একটা পরিবার কারখানা থেকে টাকা তোলে, প্রতিটা ট্রাক থেকে টাকা তোলে, কেন তুলবে? যত কোম্পানি আছে তাদের থেকে মাসে মাসে টাকা কে তোলে? সব একজনই তোলে। সেই টাকা নিজে অর্ধেক নেয়। বাকিটা দেয় বাইরের নেতাকে। গরিব মানুষের উপর কেন অত্যাচার করা হবে? এগুলো বরদাস্ত করা হবে না। তোমরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছো? তোমাদের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আমি চার্জশিট দিচ্ছি। কত টাকা হলদিয়া থেকে যায় এটার একটা তদন্ত হোক।” আরও পড়ুন: মেদিনীপুর সামলাবে অভিষেক: ঘোষণা দলনেত্রী

গতবার ভোটে লোডশেডিং করে দিয়ে নিজেদের আসন বাড়িয়েছিল বিজেপি। এবারেও তারা সেই একই পন্থা অবলম্বন করতে পারে বলে সতর্ক করেন নেত্রী। বলেন, এমনি জিততে পারবে না। নন্দীগ্রামের মানুষ তোমাদের আগের বার ভোট দেয়নি। এখনও কোর্টে মামলা বিচারাধীন আছে। মনে রেখো, অনেক ভাঙা মেশিন আছে। আমি মুখে ঝামা ঘষে দিতে পারতাম। কিন্তু ভবানীপুর থেকে জয়ী হওয়ার জন্য আমি আর প্রেশার দিইনি। এবারও লোডশেডিং করে দেবে, ছাপ্পা ভোট করে দেবে। নন্দীগ্রামেই ৪০ জনকে নোটিশ পাঠিয়েছে এনআইএ। কেন বাবা? এই ছ’বছর কি তুমি কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমোচ্ছিলে!
–

–

–

–

–

–
–
–
