রাজ্যের প্রশাসনের সব ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে। অথচ কমিশনের নির্দেশ ছাড়া না কি কাজ করছে আবগারি দফতর! রাজ্যে নজিরবিহীন মদ বন্ধের (liquor ban) বিজ্ঞপ্তি জারির পরে সমালোচনার মুখে পড়ে এবার কমিশনের (ECI) আবগারি দফতর ও সিইও মনোজ আগরওয়ালের (Manoj Agarwal, CEO) দায় ঠেলাঠেলির পালা শুরু।

সোমবার জারি হয়েছে মদের দোকান বন্ধ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা। এনিয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিইও মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal, CEO) বলেন, আমিও তো এটা শুনে অবাক হচ্ছি। আমি এক্সাইজ কমিশনারকে জিজ্ঞেস করব কেন এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যে সব এলাকায় ভোট রয়েছে সেখানে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে ‘ড্রাই ডে’ (Dry day) ঘোষণা করা হয়। সেই অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই মদের দোকান বন্ধ থাকার কথা। প্রথম দফায় ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এই দফায় উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমান রয়েছে। কিন্তু যেখানে ভোট নেই, সেই কলকাতাতেও আগেভাগে মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে।

আরও পড়ুন : ৪৮ ঘণ্টা নয়, এবার টানা চার দিন বন্ধ মদের দোকান! কড়া ফরমান আবগারি দফতরের

সিইও মনোজ আগরওয়াল উল্লেখ করেন, সব দফতরেরই কমিশনের নির্দেশ মেনে কাজ করা উচিত। সেক্ষেত্রে কমিশনের নির্দেশ কী, তা কি জানেন না বাংলার সিইও? না কি সমালোচনার মুখে পড়ে পিঠ বাঁচানো পথে হাঁটলেন তিনি, মঙ্গলবার তাঁর জবাবদিহিতে উঠেছে সেই প্রশ্ন।

–

–

–
–
–
