নাকা চেকিং এর নামে হেনস্থা আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালী বাগকে। বুধবার রাতে হরিপাল চন্দ্রকোনা থেকে ভোটের প্রচারে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি আটকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাংসদের অভিযোগ নাকা চেকিংয়ের নামে মহিলাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এবং হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তাতারপুর বর্ডার থেকে ঢিল ছড়া দূরত্বে তৃণমূল সাংসদের বাড়ি। সেই রাস্তা থেকেই বাড়ি ফিরছিলেন মিতালী। সেই সময় তাঁর গাড়ি সার্চ করার জন্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ দাঁড় করায়। তাঁকে গাড়ি থেকে নামতে বাধ্য করা হয়। ঘটনা স্থলে কোন মহিলা পুলিশ, এবং মহিলা কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। সেই সময়ে বিজেপি এবং কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ।
মিতালীর অভিযোগ, যে বিজেপি নারী সুরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন, সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিলের কথা বলে সেই বিজেপি রাতের বেলা মহিলা সাংসদকে কোন মহিলা পুলিশ এবং মহিলা কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়াই তাঁকে এবং তাঁর গাড়িতে সার্চ করার কথা বলা হচ্ছে। মিতালী বাগের দাবি, যতক্ষণ না মহিলা কেন্দ্রীয় বাহিনী বা মহিলা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসবে ততক্ষণ তিনি কাউকে তার গাড়িতে এবং তাকে সার্চ করার অনুমতি দেবেন না। রাস্তায় বসে থাকবেন বলেও জানান সাংসদ। তাঁর কথায়, এখনো পর্যন্ত ভোট শুরু হয়নি তার আগে কিভাবে মহিলাদের হয়রানি এবং হেনস্থা করছেন বিজেপি। ধিক্কার জানাই। লজ্জা। কেন্দ্রীয় বাহিনী নাকি বুঝতে পারেননি মিতালী বাগ মহিলা, অভিযোগ সাংসদের। ছিঃ বিজেপি। চেকিংয়ের নামে চলছে বেইজ্জতি। সাংসদের কথায়, “মহিলা পুলিশ এসে সার্চ করুন এবং অন ক্যামেরায় দেখাতে হবে আমার কাছ থেকে কী কী পাওয়া গিয়েছে।”


সাংসদ বলেন, আমার অপরাধ কি? আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ক্ষুদ্র কর্মী। তৃণমূল কর্মীদের এখন রাস্তা পারাপার হওয়াটাই অপরাধ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীরা এসে মিতালী বাগের সঙ্গেই রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।

আরও পড়ুন- বিহারে কর্মসংস্থান হলে ঝালমুড়িওয়ালা এরাজ্যে কেন: মোদির ঝালমুড়ি-অধ্যায়ে প্রশ্ন অভিষেকের

_

_

_
_
_
