প্রথম দফার আলোচনা কার্যত ভেস্তে গেছে, দ্বিতীয় দফায় আমেরিকা- ইরানের এক টেবিলে বসার সম্ভাবনার (US- Iran Peace Talk) মাঝেই এবার হরমুজে হামলার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও তেহরানের অবস্থানে খুশি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শান্তি আলোচনার সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, তাই এই অবস্থায় পরমাণু হামলার চিন্তাভাবনা করতে পারে আমেরিকা, মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এই মুহূর্তে হরমুজের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়েছে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী। আমেরিকাকে চাপে রাখতে হরমুজ প্রণালী (Strait of Harmuz) পুরোপুরি বন্ধ রেখেছে ইরান। এই অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্পের দাবি, “আমি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি হরমুজের জলে মাইন পাতা যে কোনও ইরানি জাহাজ দেখামাত্রই যেন ধ্বংস করা হয়। এই ব্যাপারে যেন কোনওরকম দ্বিধা রাখার প্রয়োজন নেই। আমাদের মাইন সুইপারগুলি হরমুজে পেতে রাখা মাইন পরিষ্কার করছে। সেই কাজ আপাতত চলবে।” এরপরই জল্পনাবাড়তে থাকে তাহলে কি সত্যিই এবার পরমাণু অস্ত্রও প্রয়োগ করবেন ট্রাম্প? ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই (Ismile Baghai) জানিয়েছেন, “দ্বিতীয় শান্তি বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” ফলে এই বৈঠক কবে হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানিয়েছেন ইরান যেভাবে আলোচনায় বসতে টালবাহানা করছে সেটা বেশিদিন বরদাস্ত করা হবে না। যদিও এখনই পরমাণু হামলার পথে হয়তো হাঁটবে না আমেরিকা। প্রথাগত যুদ্ধেই তেহেরানকে পরাস্ত করতে আত্মবিশ্বাসী ট্রাম্প। তবে হোয়াইট হাউস সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, হামলার আগে ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সে দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেওয়ার পরিকল্পনাও চলছে ট্রাম্পের মাথায়। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয় সে খবরে নজর গোটা বিশ্বের।
–

–

–

–

–

–
–
–
