প্রথম দফার ভোট পর্ব শেষ হতেই (West Bengal 2nd Phase Voting) দ্বিতীয় দফাকে ঘিরে প্রস্তুতিতে গতি আনল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ১৪২টি আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট করানোকে সামনে রেখে রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল গুরুত্বপূর্ণ ‘কো-অর্ডিনেশন’ বৈঠক (Co-ordination Meeting)। সেখানে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আসনভিত্তিক দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয় বিস্তারিতভাবে।

কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, এবার শুধু বুথেই নয়, নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে বুথে যাওয়ার রাস্তাতেও। অলিগলি পর্যন্ত টহল দেবে বাহিনী, যাতে কোনওভাবেই অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি না হয়। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে বাড়তি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন: জঙ্গি হামলার আশঙ্কা: বাংলাদেশে জারি ‘রেড এলার্ট’!
বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৬০টি মোটরবাইক মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি বাইকে থাকবেন ২ জন করে সিএপিএফ জওয়ান। তাঁদের কাজ হবে নিয়মিত টহলদারি চালানো এবং কোথাও কোনও গোলমালের আভাস পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি কুইক রেসপন্স টিম কোথায় কত থাকবে, কোন এলাকায় কত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে— সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়ও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনওরকম ফাঁক না রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে বৈঠক থেকে। বুথ সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে ভোটারদের যাতায়াতের পথেও প্রয়োজনে সিসি ক্যামেরা বসানোর কথা জানানো হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন জেলার রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক (ডিইও), সাধারণ ও পুলিশ অবজারভাররা। এছাড়াও ছিলেন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত এবং স্পেশাল পুলিশ অবজারভার এন কে মিশ্র।

অন্যদিকে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় ঘুরে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। কমিশনের লক্ষ্য একটাই— দ্বিতীয় দফায় যাতে ভোটাররা সম্পূর্ণ নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

–

–

–
–
–
