লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) ছিল এক নম্বর। আর বিধানসভা নির্বাচনে এবার ফলতা ১ নম্বর হবে। রবিবার ভোট প্রচারে ফলতায় জনস্রোতে ভেসে রোড শো করার পরে পথসভা থেকে এই বার্তা দিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি বলেন, “অনেক ভাবে চেষ্টা করেছে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার। যদিও ফলতায় পারেনি। তার কারণ আমাদের টিমকে যেভাবে SIR-এর সময় কাজ করেছে, তাতে গায়ের জোরে ফলতা থেকে নাম বাদ দিতে পারেনি। আমি স্যালুট জানাই দলের তরুণ ব্রিগেডকে।”

এসআইআর-এর সময় যেভাবে ফলতায় (Falta) আলাদা আলাদা শিবির হয়েছে সেই সম্পর্কে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “যেভাবে আমাদের প্রত্যেকটা জায়গায় আলাদা করে ভোটরক্ষা শিবির করে মানুষকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো হয়েছে, আমি মনে করি এসআইআর-এর মডেলে কীভাবে ইলেকশন কমিশনকে লেজে গোবরে করতে হয় একমাত্র ফলতা সেটা দেখাতে পেরেছে। জ্ঞানেশ কুমারকে উচিত শিক্ষা, যোগ্য জবাব যদি কেউ দিয়ে থাকে সেটা ফলতাবাসী দিয়েছে।” এরপরেই ফলতা নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আশাবাদী অভিষেক জানান, “কিন্তু যে জবাবটা দিয়েছেন সেটা সেমিফাইনাল ছিল। ফাইনাল হচ্ছে ২৯ তারিখ। এমনিতেই তো এখানে বিজেপির পতাকা ধরার লোক নেই। আমি আপনাদের বলব, আমার থেকে ১টি হলেও বেশি ভোটে জাহাঙ্গিরকে জেতান।”
ডায়মন্ড হারবারের সংসদের প্রতিশ্রুতি, “উন্নয়নের নিরিখে ডায়মন্ড হারবারকে এক নম্বর করেছি, এবার ডায়মন্ড হারবারের মধ্যে ফলতাকেও এক নম্বর করব- কথা দিয়ে গেলাম।” অভিষেকের কথায়, “দক্ষিণ ২৪ পরগনা বার বার এক নম্বর থাকে, এবারও এক নম্বর। আর বাংলার মধ্যে ফলতা এক নম্বর।”

এদিন ফলতা দলীয় কার্যালয় (৪ নং হল্ট) থেকে জগন্নাথপুর নতুন রাস্তার মোড় পর্যন্ত রোড শো করেন তৃণমূলে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বিকেল পেরিয়ে প্রায় সন্ধে হলেও মানুষের উৎসাহ এতোটুকু কমেনি। রোড শো-এর দীর্ঘ পথে ছিল জনস্রোত। রাস্তার দু’ধারে তো বটেই আশপাশের বাড়ির বারান্দায়, ছাদেও উৎসাহী মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। গাড়ির মাথা থেকে যখন হাত নাড়েন বা ফুলের পাপড়ি উড়িয়ে দেন অভিষেক, তখন উদ্বেল হয়ে ওঠে ফলতা।

আরও পড়ুন – কম্বলে মুড়ে অপরাধীদের আনছে কেন্দ্রীয় বাহিনী: EVM লুটের নতুন ষড়যন্ত্র ফাঁস মমতার

_

_

_
_
_
_
