বাংলার এসআইআর করা হচ্ছে রাজ্যের অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে বের করার জন্য। অথচ নির্বাচনের প্রথম দফা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও কারা অনুপ্রবেশকারী (illegal immigrant), এখনও খোঁজ দিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন (ECI), বা তার সিইও। এবার সেই অনুপ্রবেশকারীদেরই রাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ডেডলাইন বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ট্রাইবুনালের কাছে পৌঁছানোর আগেই বাংলার মানুষকে বাংলা থেকে বিতাড়নের হুঁশিয়ারি নরেন্দ্র মোদির।

বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে হিংসা ছড়ানোয় কোনওভাবেই পিছিয়ে থাকতে চাইছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রাজ্যে এসআইআর (SIR) পর্বে যেখানে বিনা যুক্তিতে ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত নির্বাচন কমিশন, সেখানে অ্যাপালেট ট্রাইবুনালের বিচারে মানুষ আবার ভোটাধিকার ফিরে পাচ্ছেন। তা সত্ত্বেও বিজেপি বাংলাকে বদনাম করার ষড়যন্ত্রে বাংলার ভোটার তালিকা অনুপ্রবেশকারীতে ভরা, এমনটাই প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়ে চলেছে। সেই চেষ্টায় সর্বশেষ সংযোজন মোদির হুমকি।
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে বনগাঁ থেকে রীতিমত হুঁশিয়ারির মেজাজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তিনি দাবি করেন, আজ বনগাঁ থেকে আমি ঢোল বাজিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের হুঁশিয়ারি দিতে চাই, যাঁরা অবৈধ (illegal) পথে বাংলায় ঢুকে এসেছেন, যাঁরা জাল নথি দিয়ে এখানে বাস করছেন, তাঁরা ২৯ এপ্রিলের আগে বাংলা আর ভারত ছেড়ে দিন। নাহলে ৪ মের পরে সব অনুপ্রবেশকারীদের খেঁদিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন : বিজেপি এলেই আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করবে: প্রচারে নিজের দিল্লির অভিজ্ঞতা জানালেন কেজরিওয়াল

সেই সঙ্গে যেভাবে মোদির আরেক সঙ্গী অমিত শাহ বাংলার মানুষকে উল্টে ঝুলিয়ে সোজা করার বার্তা দিয়েছেন, সেভাবেই আরও একবার চুন চুনকে হিসাব নেওয়ার হুঁশিয়ারি নরেন্দ্র মোদির। তিনি হুমকি, যে গুণ্ডা, ধর্ষক রয়েছে এখানে, ৪ মের পরে বিজেপি ও বিজেপির সরকার তাদের হিসাব করবে। চুন চুনকে হিসাব করবে।

–

–

–
–
–
